সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: গত ৫ জুন ঘটা করে মা আহারে খাওয়ানো হয় মাছ-ভাত। পাঁচ টাকার বিনিময়ে সেই কেন্দ্র থেকে মৌলপুর গ্রামীণ হাসপাতালে আসা লোকেরা মাছ-ভাত খাওয়ার সুযোগ পেতেন। অভিযোগ, তারপর থেকে পুরাতন মালদহ শহরের মা আহারে মাছ-ভাত মিলছে না। যা নিয়ে সরব হয়েছেন ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার শক্রঘ্ন সিনহা বর্মা। তিনি বলেন, আমরা শুনেছি, সেখানে মাছ দেওয়া হচ্ছে না। এতে অনেকেই বঞ্চিত হচ্ছেন। ঘোষণা অনুয়ায়ী সরকারের মাছ খাওয়ানো উচিত। মা আহারের দায়িত্বে রয়েছেন পুরসভার আধিকারিক সান্ত্বনা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মন্তব্য, মাছ দেওয়ার অর্ডার পায়নি। সেজন্য বন্ধ রয়েছে।
সূত্রের খবর, মা আহার থেকে সপ্তাহে দু’দিন মাছ খাওয়ানো হবে। দু’দিন ডিম-ভাত আর দু’দিন নিরামিষ খাবার দেওয়া হবে। অনেকের অভিযোগ, সপ্তাহে দু’দিন করে মাছ দেওয়া হচ্ছে না। এদিন আহার কেন্দ্র পরির্দশন করেন পুরসভার চেয়ারম্যান বিভূতিভূষণ ঘোষ। তাঁর সঙ্গে ৭ এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলাররা ছিলেন। তাঁরা কুপনের বিনিময়ে ডিম-ভাত খান। পুর চেয়ারম্যান বলেন, পূর্বতন রাজ্য সরকারের আমলে মা ক্যাটিন ছিল মঙ্গলবাড়িতে। নতুন রাজ্য সরকার সেটির নাম পরিবর্তন করে শহরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে নিয়ে আসে। এখানে পাঁচ টাকায় মাছ-ভাত খাওয়ানোর কথা বলা হয়। তবে সেই ব্যবস্থা চালু হয়নি। পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার তথা বিজেপির নগর মণ্ডল সভানেত্রী বাসন্তী রায় বলেন, সোমবার মা আহারে গিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখব।