Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আতঙ্কের নাম পচা ডিম, নিজের বিরুদ্ধে তদন্ত চেয়ে থানায় তৃণমূল কাউন্সিলার

শ্রীরামপুরে পচা ডিম নিয়ে তৃণমূল কাউন্সিলার সন্তোষ সিং থানায় তদন্তের দাবি করেছেন। কেন এই ঘটনা রাজ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু? বিস্তারিত পড়ুন।

আতঙ্কের নাম পচা ডিম, নিজের বিরুদ্ধে তদন্ত চেয়ে থানায় তৃণমূল কাউন্সিলার
  • ১০ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: পচা ডিম থেকে বাঁচতে থানায় গিয়ে নিজের বিরুদ্ধেই তদন্ত শুরুর দাবি তুললেন তৃণমূল নেতা। শ্রীরামপুরের এই ঘটনা রাজ্যজুড়ে চলা ‘ডিমাতঙ্কে’ অন্য মাত্রা যোগ করেছে। শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

Advertisement

জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার শ্রীরামপুর পুরসভার কাউন্সিলার, শহর তৃণমূলের নেতা সন্তোষ সিং (পাপ্পু) থানায় গিয়ে নিজের বিরুদ্ধেই তদন্ত শুরুর দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার প্রচুর সম্পত্তি আছে বলে সমাজমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে। শ্রীরামপুরের বাইরে আমার কোনো সম্পত্তি নেই। যাঁরা কুৎসা করছেন তাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছি। আর আমার লুকিয়ে রাখার কিছু নেই। তাই আমি আমার বিরুদ্ধেই সবরকমের তদন্ত দাবি করছি। কুৎসার অবসান করতে হবে।’
এর পাশাপাশি মঙ্গলবার ডিম ছোড়া হয়েছে উত্তরপাড়া পুরসভার কাউন্সিলার মৌসুমী বিশ্বাসকে লক্ষ্য করে। এদিন তিনি থানায় যান তাঁর কাছ থেকে তোলা চাওয়া হয়েছে বলে একটি অভিযোগ দায়ের করতে। অন্যদিকে রিষড়া পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সাজাহান হোসেন কোন্নগরের বারোদুয়ারি এলাকায় মানুষের রোষের মুখে পড়েন। তাঁকে লক্ষ্য করে চোর চোর স্লোগান ওঠে। ডিম ছোড়া হয়। রোষের মুখে পড়েন অন্য এক জনপ্রতিনিধিও। মৌসুমী বলেন, ‘আমি ব্ল্যাকমেলের শিকার। সেই অভিযোগ দায়ের করতে গিয়েছিলাম। আমাকে ব্ল্যাকমেল করছিলেন একজন ইউটিউবার। তাঁর সমর্থকরাই ডিম ছুড়েছে। চোর স্লোগান দিয়েছে। এটি ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা।’ সাজাহান তাঁর বিষয়ে বলেন, ‘বিজেপি চক্রান্ত করেছে।’ 
এদিন সকালে মৌসুমীর বিরুদ্ধে স্লোগান ওঠে। আর দুপুরে ডিমবৃষ্টির মুখে পড়েন সাজাহান। অভিযোগ, কোন্নগরের বারোদুয়ারিতে একটি জমি ভরাটের কাজে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে স্থানীয় মানুষরা তাঁকে ঘিরে ধরেন। তার সঙ্গে ছিলেন পঞ্চায়েতের পূর্ত বিভাগের জনপ্রতিনিধি। তাঁকেও বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। শেষপর্যন্ত পুলিশ দু’জনকে উদ্ধার করে। পরে তাঁদের গ্রেপ্তারও করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের বিরুদ্ধে তোলাবাজি, জমি দখল সহ একাধিক অভিযোগ দায়ের করে। চন্দননগর কমিশনারেট জানিয়েছে, সমস্ত অভিযোগের তদন্ত হবে।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ