Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬

স্পিকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা করবে তৃণমূল কংগ্রেস, দলই ঠিক করবে পরিষদীয় নেতা

তৃণমূল কংগ্রেস স্পিকারের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করতে আদালতে যাচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের রায়কে তৃণমূলের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করবে। বিস্তারিত পড়ুন।

স্পিকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা করবে তৃণমূল কংগ্রেস, দলই ঠিক করবে পরিষদীয় নেতা
  • ৬ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: রাজ্য বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুর সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে এবার আদালতের দ্বারস্থ হতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর এই চ্যালেঞ্জে তৃণমূলের অন্যতম অস্ত্র সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির রায়। সেটি হল, পরিষদীয় দল নয়, পার্টিই ঠিক করবে কে হবেন দলনেতা, কে মুখ্যসচেতক। এবং সেটি মানতেও হবে স্পিকারকে। 

Advertisement

বঙ্গে পরিষদীয় দলের পছন্দ মতো ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি দিয়েছেন স্পিকার রথীন্দ্র বসু। অস্বীকার করেছেন অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের দেওয়া চিঠি। যেখানে বিরোধী দলনেতা হিসাবে নাম পাঠানো হয়েছিল বর্ষীয়ান বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের। স্পিকার নির্বাচনের দিন প্রথা মেনে মুখ্যমন্ত্রী এবং বিরোধী দলনেতা রথীন্দ্র বসুকে হাত ধরে স্পিকারের আসনে বসান। ফলে সেইদিনই তো মান্যতা দেওয়া হয়েছে, শোভনদেবই বিরোধী দলনেতা। তারপরও কী করে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা করা হল? প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। 
তারই মধ্যে অস্ত্র হিসাবে মিলেছে ২০২৩ সালের ১১ মে’র সুপ্রিম কোর্টের রায়। দেশের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি এম আর শাহ, বিচারপতি কৃষ্ণ মুরারি, বিচারপতি হিমা কোহলি এবং বিচারপতি পি এস নরসিমার ১৪১ পাতার রায়ই এক্ষেত্রে তৃণমূলের তুরুপের তাস হতে চলেছে। সুভাষ দেশাই বনাম প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি, মহারাষ্ট্র সরকারের ওই মামলার বিষয় ছিল একনাথ সিন্ধে আর উদ্ধব থ্যাকারে সংক্রান্ত দুই জোটের গোলমাল। তারই রায়ে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়েছে, ‘পরিষদীয় দল নয়। রাজনৈতিক দলই নিয়োগ করবে কে হবেন মুখ্যসচেতক, কে নেতা। স্পিকারকে সেটিই মান্যতা দিতে হবে।’ তাই রাজ্য বিধানসভার স্পিকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করা হবে বলেই জানালেন তৃণমূলের আইনজীবী সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বললেন, ‘ছুটি শেষে আগামী সোমবার হাইকোর্ট খুলছে। সেদিনই মামলা করব।’ তৃণমূলের প্রশ্ন, যাঁকে দল থেকেই বহিষ্কার করা হয়েছে, সেই ঋতব্রতকে কী করে পরিষদীয় দলের পছন্দ মেনে বিরোধী দলনেতা করা হল? 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ