Bartaman Logo
১৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পলিটেকনিকের চুক্তিভিত্তিক ও পার্ট টাইম শিক্ষক, কর্মীর বদলির সুযোগ

এবার পলিটেকনিকগুলির পার্ট টাইম এবং চুক্তিভিত্তিক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা বদলির সুযোগ পাবেন। কারিগরি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন দপ্তরের নির্দেশিকায় খুশির হাওয়া কয়েক হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর মধ্যে। এতে আশায় বুক বাঁধছেন সাধারণ ডিগ্রি কলেজ এবং ডিগ্রি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের এ ধরনের শিক্ষক (স্যাক্ট) এবং শিক্ষাকর্মীরাও। যদিও, তাঁদের নিয়ে এখনও এ নির্দেশিকা জারি হয়নি।

পলিটেকনিকের চুক্তিভিত্তিক ও পার্ট টাইম শিক্ষক, কর্মীর বদলির সুযোগ
  • ২০ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এবার পলিটেকনিকগুলির পার্ট টাইম এবং চুক্তিভিত্তিক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা বদলির সুযোগ পাবেন। কারিগরি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন দপ্তরের নির্দেশিকায় খুশির হাওয়া কয়েক হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর মধ্যে। এতে আশায় বুক বাঁধছেন সাধারণ ডিগ্রি কলেজ এবং ডিগ্রি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের এ ধরনের শিক্ষক (স্যাক্ট) এবং শিক্ষাকর্মীরাও। যদিও, তাঁদের নিয়ে এখনও এ নির্দেশিকা জারি হয়নি।

Advertisement

অর্ডারে বলা হয়েছে, বদলির ক্ষেত্রে কলেজ ও ছাত্রছাত্রীদের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই এ ধরনের পদে নিযুক্ত থাকলে তাঁদের কাছাকাছি পোস্টিং দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। যেকোনও বদলি সেমেস্টার বা শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই করার চেষ্টা করা হবে। তবে, বিশেষ প্রয়োজনে তা মাঝপথেও করা যেতে পারে। মিউচুয়াল ট্রান্সফারের ক্ষেত্রেও নিয়মগুলি কার্যকর হবে। প্রয়োজনে দপ্তরও কোনও শিক্ষক বা কর্মীকে বদলি করতে পারে। বিশেষ প্রয়োজনে যেকোনও জোনের যেকোনও পলিটেকনিকে যেতে হতে পারে সেই শিক্ষক বা কর্মীকে।
পছন্দসই বদলির ক্ষেত্রে কারা অগ্রাধিকার পাবেন? যাঁদের চাকরি আর তিনবছরেরও কম রয়েছে, সেই প্রার্থীরা সবার আগে থাকবেন। জোন ই (উত্তরবঙ্গের পলিটেকনিকগুলি)-তে অন্তত চারবছর কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকলে তিনি নিজের জেলায় বদলি পাবেন। পঞ্চাশোর্ধ্ব মহিলা প্রার্থীকে তাঁর বাড়ির সবচেয়ে কাছের পলিটেকনিকে বদলির চেষ্টা করা হবে। অন্তত পাঁচবছরের চাকরি জীবন থাকলে, বদলির জন্য আবেদন করার যাবে। একটি জোনে অন্তত চারবছর থাকতেই হবে কোনও কর্মীকে।
এ ধরনের শিক্ষক বা কর্মীরা সাধারণত কলেজভিত্তিক নিযুক্ত হন। তাই তাঁদের বদলির ক্ষেত্রে জটিলতা ছিল। তবে, সেসব কাটিয়ে সেই দপ্তর বদলি কার্যকর করায় স্যাক্টদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। কলেজের মাধ্যমে নিযুক্ত হলেও তাঁদের একছাতার তলায় এনে স্টেট এডেড কলেজ টিচার বা স্যাক্ট হিসেবে মর্যাদা দিয়েছে শিক্ষাদপ্তর। 
স্যাক্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক গোপাল ঘোষ বলেন, ‘দপ্তরের সঙ্গে আমাদের যে-কথা হয়েছে, তাতে তারা বদলি এবং চাইল্ডকেয়ার লিভ দিতে রাজি। হয়তো প্রথমেই মিউচুয়াল ট্রান্সফার শুরু হবে। তবে, এখনও সেই অর্ডার জারি না-হওয়ায় আমরা কিছুটা হতাশ ছিলাম। পলিটেকনিকের এই অর্ডারের পরে আমরা হয়তো আবার কিছুটা আশা দেখতে পারি।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ