নয়াদিল্লি: বয়স্ক মানুষ সহ নাগরিকদের একটা বড়ো অংশ এখনও শুধুমাত্র কথা বলার জন্য মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। স্মার্টফোন নয়, এই অংশের পছন্দ ফিচার ফোন। ডেটা পরিষেবার প্রয়োজন পড়ে না তাঁদের। কিন্তু তা সত্ত্বেও গাঁটের বাড়তি কড়ি খরচ করে ডেটা সহ ‘বান্ডল প্যাকেজ’ নিতে বাধ্য হচ্ছে অগণিত জনতা। এই অংশের সুবিধার্থে সস্তায় পৃথক ভয়েসকল ও এসএমএস প্ল্যান আনার প্রস্তাব দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অব ইন্ডিয়া (ট্রাই)। যদিও সেই প্রস্তাবে আপত্তি জানাল রিলায়েন্স জিও, ভারতী এয়ারটেল ও ভোডাফোন
আইডিয়ার মতো দেশের শীর্ষ বেসরকারি টেলিকম সংস্থাগুলি।
ট্রাই ২০২৬ সালের খড়সা টেলিকম কনজিউমার প্রোটেকশন (১৩তম সংশোধিত) রেগুলেশনে প্রস্তাব দিয়েছে, টেলিকম সংস্থাগুলির উচিত পৃথকভাবে সুনির্দিষ্ট ভ্যালিডিটি সহ শুধুমাত্র ভয়েস ও এসএমএস প্ল্যান আনা। স্বাভাবিকভাবেই চলতি ‘বান্ডল প্যাকেজ’গুলির (একত্রে ভয়েস, এসএমএস ও ডেটা প্যাক) তুলনায় এগুলি অপেক্ষাকৃত সস্তা হবে। এই পরিকল্পনার মোদ্দা উদ্দেশ্য, যাঁরা ইন্টারনেট ব্যবহার করেন না তাঁরা যেন সেই পরিষেবার খরচ বহনে বাধ্য না হন। যদিও টেলিকম সংস্থাগুলির বক্তব্য, মোবাইল ডেটা সহ ‘বান্ডল প্যাকেজে’র অংশ হিসাবেই খুব কম দামে ভয়েস কলের সুবিধা দেওয়া হয়। কিন্তু এধরনের পৃথক প্ল্যান চালু হলে বর্তমান ট্যারিফ কাঠামো বিঘ্নিত হবে। প্রভাব পড়বে তাদের সংগৃহীত রাজস্বের অঙ্কেও। একধাপ এগিয়ে রিলায়েন্স জিওর এক কর্তার সাফাই, সস্তায় এধরনের পৃথক প্ল্যান চালু করা হলে সেগুলি স্প্যাম কল, অযাচিত বার্তা এবং প্রতারণামূলক কার্যকলাপের জন্য অপব্যবহার করা হতে পারে।