নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গার্ডেনরিচ, তারাতলা, একবালপুর, তপসিয়া, তিলজলা, কসবার সীমানা ছড়িয়ে এবার বেআইনি কল সেন্টারের শিকড় পৌঁছে গেল বালিগঞ্জে। কলকাতা শহরের এই অভিজাত এলাকায় এই প্রথম বেআইনি কল সেন্টার ধরা পড়ল।
Advertisement
সোর্স মারফত খবর পেয়ে কলকাতা পুলিসের গুন্ডাদমন শাখার গোয়েন্দারা সোমবার রাতে বালিগঞ্জ থানার ১৩ নম্বর মুলেন স্ট্রিটের একটি বিল্ডিংয়ের হানা দেন। সেই বাড়ির দোতলায় চলছিল বেআইনি কল সেন্টার। সেখান থেকে মোট ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের কাছ থেকে একাধিক মোবাইল, ল্যাপটপ, রাউটার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। কলকাতা পুলিসের ভারপ্রাপ্ত গোয়েন্দা প্রধান রূপেশ কুমার এই খবর জানিয়েছেন।
প্রাথমিক তদন্তে লালবাজারের গোয়েন্দা জানতে পেরেছেন, মূলত আমেরিকার নাগরিকদের অ্যান্টি ভাইরাস বিক্রির টোপ দিয়ে প্রথমে ফাঁদে ফেলা হতো। তারপর ‘এনি ডেক্স’, ‘কুইক সাপোর্ট’-এর মতো রিমোট অ্যাকসেস অ্যাপের সাহায্যে মার্কিনীদের কম্পিউটারের দখল নিত এই চক্রের সদস্যরা। এরপর কাউকে ৩০ ডলার, কাউকে ২০০ ডলারের গিফট কার্ড কিনতে বাধ্য করত তারা। এভাবে কলকাতায় বসে ব্ল্যাকমেল করে ডলার আত্মসাত করত এই চক্রের সদস্যরা।
কলকাতা পুলিসের এক সূত্র জানিয়েছে, বেআইনি কল সেন্টার থেকে কোটি কোটি টাকা আয় করছে সাইবার অপরাধীরা। কলকাতা শহরের তারাতলা, গার্ডেনরিচ, মেটিয়াবুরুজ, একবালপুর, নিউ আলিপুর, তিলজলা, তপসিয়া, বেনিয়াপুকুর, কসবা, হেয়ার স্ট্রিট, বউবাজার, হরিদেবপুরের মতো এলাকায়
কার্যত ছড়িয়েছে বেআইনি কল
সেন্টার চক্র। কিন্তু এই চেনা গণ্ডির বাইরে এই প্রথম বালিগঞ্জের মতো অভিজাত এলাকায় বেআইনি কল সেন্টার চক্রের হদিশ মেলায় বিস্মিত লালবাজারের শীর্ষকর্তারা।
প্রাথমিক তদন্তে লালবাজারের গোয়েন্দা জানতে পেরেছেন, মূলত আমেরিকার নাগরিকদের অ্যান্টি ভাইরাস বিক্রির টোপ দিয়ে প্রথমে ফাঁদে ফেলা হতো। তারপর ‘এনি ডেক্স’, ‘কুইক সাপোর্ট’-এর মতো রিমোট অ্যাকসেস অ্যাপের সাহায্যে মার্কিনীদের কম্পিউটারের দখল নিত এই চক্রের সদস্যরা। এরপর কাউকে ৩০ ডলার, কাউকে ২০০ ডলারের গিফট কার্ড কিনতে বাধ্য করত তারা। এভাবে কলকাতায় বসে ব্ল্যাকমেল করে ডলার আত্মসাত করত এই চক্রের সদস্যরা।
কলকাতা পুলিসের এক সূত্র জানিয়েছে, বেআইনি কল সেন্টার থেকে কোটি কোটি টাকা আয় করছে সাইবার অপরাধীরা। কলকাতা শহরের তারাতলা, গার্ডেনরিচ, মেটিয়াবুরুজ, একবালপুর, নিউ আলিপুর, তিলজলা, তপসিয়া, বেনিয়াপুকুর, কসবা, হেয়ার স্ট্রিট, বউবাজার, হরিদেবপুরের মতো এলাকায়
কার্যত ছড়িয়েছে বেআইনি কল
সেন্টার চক্র। কিন্তু এই চেনা গণ্ডির বাইরে এই প্রথম বালিগঞ্জের মতো অভিজাত এলাকায় বেআইনি কল সেন্টার চক্রের হদিশ মেলায় বিস্মিত লালবাজারের শীর্ষকর্তারা।



