নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: দিন ও রাতের তাপমাত্রার ব্যাপক হেরফের ঘটছে। ঘরে ঘরে জ্বর ও সর্দি-কাশিতে কাবু শিশু থেকে বয়স্করা। দিনের বেলায় রোদের তাপে তাপমাত্রা পৌঁছে যাচ্ছে সর্বোচ্চ ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আবার ভোর রাতের দিকে হঠাৎ করেই পারদের পতন হচ্ছে। তাপমাত্রা নেমে যাচ্ছে সর্বনিম্ন ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। দিনে গরম লাগলেও সন্ধ্যের পর থেকে বেশ ভালো ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে মুর্শিদাবাদে। এই সময় ভোররাতের দিকে বাড়তি সচেতনতা অবলম্বন করতে বলেছেন চিকিৎসকেরা। বিশেষ করে বয়স্কদের এই সময় রক্তচাপ ওঠানামা করছে। ভোরের দিকে অনেকেরই স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বাড়ছে।
Advertisement
মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজের সুপার অনাদি রায় চৌধুরী বলেন, তাপমাত্রার খুব তারতম্য ঘটছে। শিশুদের পাশাপশি বয়স্কদের বেশি সাবধানে থাকতে হবে। এরকম তামপাত্রায় বয়স্কদের রক্তচাপ খুব ওঠানামা করে। ভোরের দিকে গরম জামাকাপড় গায়ে দিতে হবে। নাহলে এই সময় ভোরের দিকে খুব স্ট্রোক হতে পারে। তাই বাড়তি সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে প্রবীণদের।
তাপমাত্রার এই তারতম্যে রোগ সৃষ্টিকারী পরজীবীরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। নিউমোনিয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা, ক্যাটারাহেইলস, ই-কোলি, ক্যাম্পাইলোব্যাকটরদের পোয়া বারো। যার জেরে ঘনঘন ফুসফুসে সংক্রমণ, পেটখারাপ হচ্ছে অনেকের। সাধারণভাবে শিশু ও প্রৌঢ়দের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক কম। এমন আবহাওয়ায় তাদেরই আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। আচমকা এমন গরমে হাসপাতালে বাড়ছে রোগীদের ভিড়। কারও জ্বর, কারও গলায় ব্যথা, আবার কেউ দীর্ঘমেয়াদি কাশি নিয়ে ভুগছেন।
মেডিক্যাল কলেজে আসা রোগীরা অধিকাংশই বলছেন, এত কাশি হচ্ছে যে বুক ও পেটে ব্যথা হয়ে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে মাথা যন্ত্রণা তো আছেই।
তাপমাত্রার এই তারতম্যে রোগ সৃষ্টিকারী পরজীবীরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। নিউমোনিয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা, ক্যাটারাহেইলস, ই-কোলি, ক্যাম্পাইলোব্যাকটরদের পোয়া বারো। যার জেরে ঘনঘন ফুসফুসে সংক্রমণ, পেটখারাপ হচ্ছে অনেকের। সাধারণভাবে শিশু ও প্রৌঢ়দের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক কম। এমন আবহাওয়ায় তাদেরই আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। আচমকা এমন গরমে হাসপাতালে বাড়ছে রোগীদের ভিড়। কারও জ্বর, কারও গলায় ব্যথা, আবার কেউ দীর্ঘমেয়াদি কাশি নিয়ে ভুগছেন।
মেডিক্যাল কলেজে আসা রোগীরা অধিকাংশই বলছেন, এত কাশি হচ্ছে যে বুক ও পেটে ব্যথা হয়ে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে মাথা যন্ত্রণা তো আছেই।



