Bartaman Logo
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পুজোর মুখে হোমস্টেতে ৭০% রুম বুকড! চা, কমলা বাগান, ঝোরা ঘেরা পাহাড়ি গ্রাম নিয়ে পর্যটকদের আগ্রহ বাড়ছে

পাহাড়ি গ্রাম ঘিরে পর্যটকদের আগ্রহ ক্রমবর্ধমান। চা বাগান, জঙ্গল, ঝোরা বেষ্টিত গ্রামগুলি পর্যটন মানচিত্রে অফবিট স্পট হিসাবেই পরিচিত।

পুজোর মুখে হোমস্টেতে ৭০% রুম বুকড! চা, কমলা বাগান, ঝোরা ঘেরা পাহাড়ি গ্রাম নিয়ে পর্যটকদের আগ্রহ বাড়ছে
  • ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: পাহাড়ি গ্রাম ঘিরে পর্যটকদের আগ্রহ ক্রমবর্ধমান। চা বাগান, জঙ্গল, ঝোরা বেষ্টিত গ্রামগুলি পর্যটন মানচিত্রে অফবিট স্পট হিসাবেই পরিচিত। পুজোর পর্যটন মরশুম শুরুর মুখে একথা জানিয়েছেন শিলিগুড়ির ট্যুর অপারেটররা। তাঁদের বক্তব্য, শৈলশহর দার্জিলিংয়ের তুলনায় নির্জন পাহাড়ি গ্রাম নিয়ে পর্যটকদের আগ্রহ বেশি। পুজোর মরশুম শুরুর মুখেই দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে হোমস্টের প্রায় ৭০ শতাংশ রুম বুকড। এবার পুজোয় পাহাড়ে পর্যটকদের ঢল নামবে বলেই ট্যুর অপারেটরদের প্রত্যাশা।

Advertisement

গণেশ পুজো চলছে। একদিন পরই বিশ্বকর্মা পুজো। সেই সঙ্গেই শুরু হবে পুজোর পর্যটন মরশুম। এজন্য পাহাড় ভ্রমণের প্রস্তুতি শুরু করেছেন পর্যটকরা। কারণ, পশ্চিমবঙ্গ তো বটেই দেশের পর্যটন মানচিত্রে দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের স্থান অন্যতম। এখানে ছড়িয়ে রয়েছে অসংখ্য পর্যটন কেন্দ্র। সেগুলির মধ্যে এবার গ্রামীণ পর্যটন কেন্দ্রগুলি নিয়ে পর্যটকদের আগ্রহ বেশি। বিভিন্ন হোটেল ও হোমস্টের বুকিংয়ের হার পর্যালোচনা করেই এমন কথা জানিয়েছেন ট্যুর অপারেটররা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দার্জিলিংয়ের পাহাড়ি গ্রামগুলির মধ্যে টিনচুলি  অন্যতম। চা ও কমলা বাগান এবং নদীঘেরা এই গ্রাম। পাইন জঙ্গলে ঘেরা লেপচা জগৎ, চা বাগান ঘেরা রাঙারুন, কমলা বাগান ঘেরা সিতং, তবাকোশি, কালিম্পংয়ের রামধুরাগাঁও, ইচ্ছেগাঁও, মাইরুংগাঁও প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
শিলিগুড়ির ট্যুর অপারেটর তন্ময় গোস্বামী বলেন, কয়েকদিন আগে পর্যন্ত পাহাড়ে যত পর্যটক ছিল, এখন সেই সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। হাতে গোনা আর দু’দিন পরই শুরু হবে পুজোর পর্যটন মরশুম। হোটেল ও হোমস্টের ঘর বুকিংয়ের টেন্ড দেখে মনে হচ্ছে এবার পাহাড়ে ব্যাপক ভিড় হবে। তবে, পর্যটকেরই পাহাড়ি গ্রাম ঘোরার আগ্রহ বেশি। যা দার্জিলিং, কার্শিয়াং, মিরিক ও কালিম্পং শহরের তুলনায় বেশি। গ্রামগুলিতে থাকার ব্যবস্থা হোমস্টে। পাহাড়ে হোমস্টের সংখ্যা ২ হাজারের বেশি। ইতিমধ্যে ৭০ শতাংশ রুম বুকিং হয়েছে। বিশ্বকর্মা পুজোর পর এই চাহিদা আরও বাড়বে বলেই মনে হচ্ছে। • প্রতীকী চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ