Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

টাওয়ার বসানোর নামে প্রতারণা, চক্রের ৫ মহিলা পুলিসের জালে

টাওয়ার বসানোর নামে প্রতারণা, চক্রের ৫ মহিলা পুলিসের জালে
  • ৪ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: টাওয়ার বসানোর নামে প্রতারণায় কাদের ফাঁদে ফেলা হবে, ফোন করে কী বলা হবে সেই স্ক্রিপ্ট তৈরি করত পাঁচ মহিলা। বারাসত শহরের প্রাণকেন্দ্রে রীতিমতো কলসেন্টার তৈরি করেছিল অভিযুক্তরা। একটি প্রতারণার অভিযোগের তদন্তে নেমে এমনই তথ্য উঠে এসেছে বারাসত পুলিসের কাছে। ধৃত মহিলাদের জেরা করে এর গভীরে যাওয়ার চেষ্টা করছে পুলিস। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতরা হল বারাসতের অনন্যা দাস (২৫), মৌসুমি রায় (৩২), শিখা হাজরা (৪০), দত্তপুকুরের বাসিন্দা রিয়া দাস (২০) ও বারাকপুরের মোহনপুরের বাসিন্দা স্নেহা পাল (২২)। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে আটটি কিপ্যাড মোবাইল ও প্রচুর নথি।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বারাসতের চাঁপাডালি মোড় সংলগ্ন কে কে মিত্র রোডে একটি কলসেন্টার খোলে তাদের একটি দল। সেখানে কাজে লাগানো হতো মূলত কিছু মহিলাকে। অবৈধ কলসেন্টারে গত শনিবার অভিযান চালায় বারাসত পুলিস। সেখান থেকে গ্রেপ্তার করা হয় পাঁচজন মহিলাকে। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, বিভিন্ন জেলার শ’য়ে শ’য়ে ফোন নম্বর ও কাদের কী বলে প্রতারণা করতে হবে, তার জন্য তৈরি রয়েছে একাধিক স্ক্রিপ্ট। তাদের জেরা করে পুলিস জানতে পারে, স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী ফোন করেই প্রতারককে মোবাইল টাওয়ার বসানোর জন্য লক্ষাধিক টাকা, চাকরিসহ মাসিক ভাড়া দেওয়ার কথা বলে ফাঁদে ফেলা হতো। প্রলোভনে পা দিলেই রেজিস্ট্রেশন করতে হবে জানিয়ে পাঠানো হতো লিঙ্ক। তাতে ক্লিক করলেই ‘শিকারের’ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সাফ! পুলিস আরও জানিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনার পাশাপাশি অন্যান্য জেলায়ও ফোন করে প্রতারণা করত ধৃতরা। কাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে, টাকার পরিমাণ কত, তা তদন্ত করে দেখছে পুলিস। মূল অবশ্য এখনও পান্ডা অধরা। তার খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে বারাসত পুলিস। 
সম্পর্কিত সংবাদ