Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

ভারতের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে, দাবি আমেরিকার শীর্ষ কর্তার

গ্রাম পঞ্চায়েত মূল্যায়নে গতবারের থেকে এবার সার্বিক ‘পাশের হার’ বেড়েছে। মোট সাতটি বিভাগের পরীক্ষায় ছটিতে কমবেশি ভালো ফল হলেও নিজস্ব আয়বৃদ্ধি বিভাগে এখনও আশানুরূপ ফল হচ্ছে না।

ভারতের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে, দাবি আমেরিকার শীর্ষ কর্তার
  • ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

ওয়াশিংটন: চড়া হারে শুল্ক থেকে এইচ-১বি ভিসা নীতি, বাণিজ্য ঘাটতি থেকে রাশিয়ার তেল। একের পর এক ইস্যুর ধাক্কায় ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে শীতলতা তৈরি হয়েছে। তবে সম্পর্কের সেই বরফ গলতে শুরু করেছে বলেই ইঙ্গিত এল খোদ ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ মহল থেকে। মার্কিন বিদেশ দফতরের এক প্রবীণ আধিকারিকের দাবি, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে সম্পর্ক ‘খুবই ইতিবাচক’। শুধু তাই নয়, ভারত-মার্কিন চাপানউতোরের জেরে কোয়াড গোষ্ঠীর আসন্ন বৈঠক ঘিরে সংশয়ের মেঘও কেটে গিয়েছে বলে দাবি তাঁর। আমেরিকা, ভারত, জাপান অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে গড়া কোয়াড গোষ্ঠীর পরবর্তী বৈঠক হওয়ার কথা ভারতে। এপ্রসঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের ওই শীর্ষ আধিকারিক বলেন, কোয়াড বৈঠক নিয়ে পরিকল্পনার কাজ চলছে। চলতি বছরের শেষে বা ২০২৬ সালের শুরুতে ওই বৈঠক হবে। সেখানে ট্রাম্প-মোদি সাক্ষাৎও হবে।
মার্কিন বিদেশ দফতরের ওই আধিকারিকের কথায়, সরকারিভাবে ঘোষণা হওয়ার আগে আমি নিশ্চিতভাবেই কিছু বলতে চাই না। তবে আমি নিশ্চিত আপনারা দুই নেতাকে (মোদি-ট্রাম্প) বৈঠক করতে দেখবেন। তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক খুবই ইতিবাচক। শুধু দুই নেতার মধ্যে সম্পর্কই নয়, ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জটিলতাও কাটতে শুরু করেছে বলে ইঙ্গিত তাঁর। শীর্ষ এই মার্কিন আধিকারিক বলেন, দুই দেশের মধ্যে সম্প্রতি ‘অভাবনীয় ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে। আগামী কয়েক মাসে আরও ইতিবাচক ফল সামনে আসবে। একথা ঠিক, আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আমরা যে বেশ কিছু বিষয়ে মতপার্থক্য কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি। বিশেষ করে বাণিজ্য ও রাশিয়া থেকে তেল কেনার ইস্যুতে। এই সব কিছু নিয়ে আমরা আলোচনা চালাচ্ছি।

Advertisement

কাশ্মীর ইস্যুতে নাক গলাতে নারাজ

নিউইয়র্ক: কাশ্মীর ভারত ও পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সমস্যা। দক্ষিণ এশিয়ার দুই প্রতিবেশির এই সংঘাতে নাক গলাতে চায় না আমেরিকা। বৃহস্পতিবার এমনই মন্তব্য করলেন মার্কিন বিদেশ দফতরের এক পদস্থ আধিকারিক। তিনি আরও জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরেই নিজেদের এই অবস্থানে অনড় রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তবে সদর্থক প্রস্তাব পেলে দুই দেশকেই সাহায্য করতে প্রস্তুত আমেরিকা।
মার্কিন ওই আধিকারিক আরও জানিয়েছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে বহু সমস্যা সমাধানের কাজ রয়েছে। কাশ্মীর ইস্যু সমাধানের বিষয়টি আমরা ভারত ও পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক বিষয় বলেই আমরা মনে করি। সম্প্রতি রাষ্ট্রসঙ্ঘে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ফের ভারত-পাক সংঘাত বন্ধের কৃতিত্ব দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এব্যাপারে বিদেশ দফতরের ওই আধিকারিক বলেছেন, সম্প্রতি ভারত ও পাকিস্তান পরস্পরের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছিল। এক্ষেত্রে সংঘর্ষ বিরতি নিয়ে ভূমিকা নিয়েছিল আমেরিকা।  

 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ