নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: ২০২৩ সালে হয়ে গিয়েছে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার দু’বছর বাদে ফের গণনা হবে! রানাঘাট ২ ব্লকের আঁইশমালি পঞ্চায়েতের একটি বুথের পরাজিত তৃণমূল প্রার্থীর আবেদনের ভিত্তিতে পুনর্গণনার নির্দেশ দিল রানাঘাট মহকুমা আদালত। মঙ্গলবার বিচারক সুইটি যাদব রানাঘাট ২ ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিককে নির্দিষ্ট ওই বুথের ভোট পুনর্গণনা করার নির্দেশ দেন। মাত্র ৫ ভোটে হেরে তৎকালীন বিডিও-র কাছে দ্বিতীয়বার ভোট গণনার আবেদন জানিয়ে প্রত্যাখ্যাত হয়ে তৃণমূল প্রার্থী পরবর্তীতে এই মামলা করেছিলেন।
Advertisement
কী ঘটেছিল ঘটনাটি? জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে রানাঘাট ২ ব্লকের অন্তর্গত আঁইশমালি গ্রাম পঞ্চায়েতের তৎকালীন পার্ট নম্বর ১৪১-এর তৃণমূল প্রার্থী নার্গিস বিশ্বাস। যিনি তাঁর নিকটবর্তী সিপিএম প্রার্থী রেখা খাতুন মণ্ডলের কাছে পরাজিত হন মাত্র ৫ ভোটে। এরপরই পুনর্গণনার আর্জি জানান ওই প্রার্থী। সেইমতো নির্বাচনী আধিকারিক, তথা রানাঘাট ২ ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিককে লিখিতভাবে সেই আবেদন জানান। সেই আবেদন নাকচ করে দেন তৎকালীন বিডিও। এরপরেই পুনর্গণনার আর্জি জানিয়ে রানাঘাট আদালতে মামলা দায়ের করেন তৃণমূলের পরাজিত প্রার্থী নার্গিস। এতদিন সেই মামলার শুনানি চলছিল।
মামলাকারীর পক্ষের আইনজীবী চন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, মঙ্গলবার সেই মামলায় পুনর্গণনার আর্জি মঞ্জুর করে রানাঘাট মহকুমা আদালত। জানা গিয়েছে, সেই ভোটে জয়ী সিপিএম প্রার্থী পেয়েছিলেন ৪৬৮ ভোট। পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী পেয়েছিলেন ৪৬৩ ভোট। বিষয়টি নিয়ে নার্গিস বিশ্বাস বলেন, পুনর্গণনার আবেদন জানানোর পরেও আমি বঞ্চিত হয়েছিলাম। তৎকালীন সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক ফের ভোট গণনা করতে চাননি। কিন্তু আমার দৃঢ় বিশ্বাস, ওই পার্টে গণনা সঠিক হয়নি। আমার জেতার কথা। তাই চেয়েছিলাম পুনরায় তা গুনে দেখা হোক। শেষ পর্যন্ত, আদালত সেই রায় দিয়েছে।
তাঁর আইনজীবী বলেন, মক্কেলের হয়ে আমি আবেদন জানিয়েছিলাম ওই পার্টে ফের গণনা করা হোক। রানাঘাট মহকুমা আদালতের বিচারক আমাদের সেই আবেদনের সাড়া দিয়েছেন। তিনি পুনর্গণনার নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা প্রশাসনের কাছে যে সহযোগিতা পাইনি, তা আদালতের কাছে পেয়ে কৃতজ্ঞ। যদিও আদালতের তরফে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত আঁইশমালি পঞ্চায়েতের ওই পার্টে পুনর্গণনার কোনও নির্দেশ এসে পৌঁছয়নি বলে দাবি রানাঘাট ২ ব্লকের বর্তমান সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক শুভজিৎ জানার। তিনি বলেন, আমি এখনও পর্যন্ত এনিয়ে কোনও নির্দেশের কপি হাতে পাইনি। যদি আদালত এরকম নির্দেশ দেয়, তাহলে অবশ্যই পুনর্গণনা হবে। নির্দেশ কী দেওয়া হয়েছে তা দেখার পরেই বাকি কথা বলতে পারব। -নিজস্ব চিত্র
মামলাকারীর পক্ষের আইনজীবী চন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, মঙ্গলবার সেই মামলায় পুনর্গণনার আর্জি মঞ্জুর করে রানাঘাট মহকুমা আদালত। জানা গিয়েছে, সেই ভোটে জয়ী সিপিএম প্রার্থী পেয়েছিলেন ৪৬৮ ভোট। পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী পেয়েছিলেন ৪৬৩ ভোট। বিষয়টি নিয়ে নার্গিস বিশ্বাস বলেন, পুনর্গণনার আবেদন জানানোর পরেও আমি বঞ্চিত হয়েছিলাম। তৎকালীন সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক ফের ভোট গণনা করতে চাননি। কিন্তু আমার দৃঢ় বিশ্বাস, ওই পার্টে গণনা সঠিক হয়নি। আমার জেতার কথা। তাই চেয়েছিলাম পুনরায় তা গুনে দেখা হোক। শেষ পর্যন্ত, আদালত সেই রায় দিয়েছে।
তাঁর আইনজীবী বলেন, মক্কেলের হয়ে আমি আবেদন জানিয়েছিলাম ওই পার্টে ফের গণনা করা হোক। রানাঘাট মহকুমা আদালতের বিচারক আমাদের সেই আবেদনের সাড়া দিয়েছেন। তিনি পুনর্গণনার নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা প্রশাসনের কাছে যে সহযোগিতা পাইনি, তা আদালতের কাছে পেয়ে কৃতজ্ঞ। যদিও আদালতের তরফে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত আঁইশমালি পঞ্চায়েতের ওই পার্টে পুনর্গণনার কোনও নির্দেশ এসে পৌঁছয়নি বলে দাবি রানাঘাট ২ ব্লকের বর্তমান সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক শুভজিৎ জানার। তিনি বলেন, আমি এখনও পর্যন্ত এনিয়ে কোনও নির্দেশের কপি হাতে পাইনি। যদি আদালত এরকম নির্দেশ দেয়, তাহলে অবশ্যই পুনর্গণনা হবে। নির্দেশ কী দেওয়া হয়েছে তা দেখার পরেই বাকি কথা বলতে পারব। -নিজস্ব চিত্র



