নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: কোচবিহারের মহারাজা জিতেন্দ্রনারায়ণ মেডিক্যাল কলেজে ডায়ালিসিস ইউনিটে বেড সংখ্যা একধাপে বেড়ে তিনগুণ হচ্ছে। এখন পাঁচটি বেড। তারমধ্যে মাত্র দু’টি ব্যবহার করা হচ্ছে। এবার নতুন জায়গায় অব্যবহৃত তিনটি বেডের পাশাপাশি নয়া আরও ১০টি বেড চালু করা হবে। উল্লেখ্য, পিপিপি মডেলের নয়া ডায়ালিসিস ইউনিটে প্রতিদিন ৮০ জন রোগীর ডায়ালিসিস করা সম্ভব হবে।
Advertisement
এমজেএন মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল ডাঃ নির্মলকুমার মণ্ডল বলেন, যাঁরা কিডনির অসুখে ভুগছেন তাঁদের এখন থেকে সহজেই পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হবে। একসঙ্গে ১৫টি বেড চালু থাকবে। এতে কোচবিহার সহ আশপাশের জেলার মানুষ উপকৃত হবে। এখন পাঁচটি বেড থাকলেও তিনটির মেশিন খারাপ। তাই ওগুলি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। যে দু’টি কার্যকর তা দিয়ে দিনে ২৫-৩০ জন রোগীর ডায়ালিসিস করা হয়। আগামী দিনে আরও রোগী এখান থেকে পরিষেবা পাবেন।
এমজেএনের রোগী কল্যাণ সমিতির জনপ্রতিনিধি সদস্য তথা কোচবিহার পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার অভিজিৎ দে ভৌমিক বলেন, ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে এটা চালু হয়ে গেলে প্রতিদিন গড়ে ৮০ জন রোগীর ডায়ালিসিস করা সম্ভব হবে।
বছর কয়েক আগে এমজেএন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিরাট প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এখন সেখানে পড়াশোনো প্রশাসনিক কাজকর্ম হয়। জেলা হাসপাতালের পুরনো এমজেএন ভবনে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে। সেখানে উন্নত রোগী পরিষেবা প্রদানের লক্ষ্যে একের পর বিভাগ চালু করা হচ্ছে। ট্রমা কেয়ার ইউনিট থেকে শুরু করে সুপার স্পেশালিটি আউটডোর পরিষেবা, সিসিইউ ইউনিট সহ অন্যান্য পরিষেবা চালু রয়েছে। তারইমধ্যে নতুন করে ১৫ বেডের ডায়ালিসিস ইউনিটটি চালু করা হবে। এতে কিডনির অসুখে ভোগা রোগীরা সহজে সুষ্ঠু চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন।
এমজেএনের রোগী কল্যাণ সমিতির জনপ্রতিনিধি সদস্য তথা কোচবিহার পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার অভিজিৎ দে ভৌমিক বলেন, ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে এটা চালু হয়ে গেলে প্রতিদিন গড়ে ৮০ জন রোগীর ডায়ালিসিস করা সম্ভব হবে।
বছর কয়েক আগে এমজেএন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিরাট প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এখন সেখানে পড়াশোনো প্রশাসনিক কাজকর্ম হয়। জেলা হাসপাতালের পুরনো এমজেএন ভবনে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে। সেখানে উন্নত রোগী পরিষেবা প্রদানের লক্ষ্যে একের পর বিভাগ চালু করা হচ্ছে। ট্রমা কেয়ার ইউনিট থেকে শুরু করে সুপার স্পেশালিটি আউটডোর পরিষেবা, সিসিইউ ইউনিট সহ অন্যান্য পরিষেবা চালু রয়েছে। তারইমধ্যে নতুন করে ১৫ বেডের ডায়ালিসিস ইউনিটটি চালু করা হবে। এতে কিডনির অসুখে ভোগা রোগীরা সহজে সুষ্ঠু চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন।
ডায়ালিসিস ইউনিট পরিদর্শনে প্রিন্সিপাল ডাঃ নির্মলকুমার মণ্ডল, রোগী কল্যাণ সমিতির জনপ্রতিনিধি সদস্য অভিজিৎ দে ভৌমিক। - নিজস্ব চিত্র।



