সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: তিনবছর আগে দু’টি পোর্টেবল ডায়ালিসিস মেশিন পেয়েছে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। কিন্তু, সেগুলি ব্যবহার না করে এতদিন ফেলে রাখা হয়েছিল। এজন্য সম্প্রতি, জলপাইগুড়ির এক প্রসূতি সিসিইউ -তে ভেন্টিলেশনে চলে যাওয়ার পর তাঁর ডায়ালিসিস করা যায়নি। সান্ত্বনা রায় নামের ওই প্রসূতি শেষ পর্যন্ত মারা যান। তারপর উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পোর্টেবল ডায়ালিসিস মেশিন না থাকার দিকটি তুলে ধরে। ৪২ লক্ষ টাকা দামের মেশিনটির জন্য স্বাস্থ্যভবনে প্রস্তাব পাঠানো হয়। অথচ ২০২১ সালে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য স্বাস্থ্যদপ্তর থেকে দু’টি পোর্টেবল ডায়ালিসিস মেশিন এখানে দেওয়া হয়েছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে তারই একটি অবশেষে বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। শীঘ্রই এই পোর্টেবল ডায়ালিসিস মেশিন সিসিইউতে চালু করা হবে বলে হাসপাতালের ডেপুটি সুপার (নন-মেডিকেল) সুদীপ্ত মণ্ডল জানান।
Advertisement
এই ঘটনা জানাজানি হতেই অভিযোগ, স্বাস্থ্যদপ্তর থেকে উন্নত চিকিৎসা পরিকাঠামো গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম পাঠানো হলেও এখানে তা ঠিকমতো ব্যবহার করা হয় না। রোগীদের উন্নত পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে হাসপাতালের চিকিৎসকদের একটি অংশের অনীহার কারণে অত্যাধুনিক চিকিৎসা পরিষেবা থেকে অনেকক্ষেত্রে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা। স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠেছে, দু’টি পোর্টেবল ডায়ালিসিস মেশিন এসে পড়ে থাকলেও কেন এতদিন ব্যবহার করা হয়নি? এই পোর্টেবল ডায়ালিসিস মেশিন আগে থেকেই ব্যবহার করা হলে সান্ত্বনা দেবীর চিকিৎসায় কিছুটা সাড়া পাওয়া যেত বলে মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। এই ঘটনায় এরকম অনেক চিকিৎসা সরঞ্জাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের একটি অংশের অনীহার দিকটি দেখছে ওয়াকিবহাল মহল। সুদীপ্ত মণ্ডল বলেন, ২০২১ সালে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে দুটি পোর্টেবল ডায়ালিসিস মেশিন আমাদের দেওয়া হয়েছিল। এগুলি ব্যবহার হয়নি, পড়ে রয়েছে। সিসিইউ-তে পোর্টেবল ডায়ালিসিস মেশিনের প্রয়োজন হচ্ছে। সেই কারণে একটি সিসিইউ-তে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হয়েছে। তা বসানোর কাজ শুরু হয়েছে।
প্রসূতি বিভাগের চিকিৎসক ও উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন ডিন ডাঃ সন্দীপ সেনগুপ্ত বলেন, দু’টি পোর্টেবল ডায়ালিসিস মেশিন সংক্রমিত রোগের জন্য চিহ্নিত করা ছিল। সে কারণে এতদিন অন্য রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়নি। এখন চাহিদা দেখা দেওয়ায় একটি পোর্টেবল ডায়ালিসিস মেশিন ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এতে ভেন্টিলেশনে চলে যাওয়া মুমূর্ষ রোগীরা পরিষেবা পাবেন। এটা একটা ভালো দিক।
প্রসূতি বিভাগের চিকিৎসক ও উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন ডিন ডাঃ সন্দীপ সেনগুপ্ত বলেন, দু’টি পোর্টেবল ডায়ালিসিস মেশিন সংক্রমিত রোগের জন্য চিহ্নিত করা ছিল। সে কারণে এতদিন অন্য রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়নি। এখন চাহিদা দেখা দেওয়ায় একটি পোর্টেবল ডায়ালিসিস মেশিন ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এতে ভেন্টিলেশনে চলে যাওয়া মুমূর্ষ রোগীরা পরিষেবা পাবেন। এটা একটা ভালো দিক।



