নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: কৃষ্ণনগর বাসস্ট্যান্ড থেকে জেলখানার রাস্তা ধরে ঘূর্ণি যাওয়ার পথেই পড়বে এসবিএসটিসি বাসস্ট্যান্ড। বিশাল গেট থেকে ঝুলছে বিশ্ব বাংলার লোগো। গেটের উপর লেখা রয়েছে, ‘নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোস বাস টার্মিনাস’। বাসস্ট্যান্ডের লোহার দরজা সর্বক্ষণ বন্ধ থাকে। পাশেই রয়েছে টিকিট কাউন্টার। সেই কাউন্টার ঝোপঝাড় আগাছায় ভরে গিয়েছে। ভিতরে টিনের শেড দেওয়া একটি জায়গা রয়েছে। সেখানে এসবিএসটিসির বাস দাঁড়ানোর কথা। কিন্তু, টিনের শেডেও জং ধরতে শুরু করেছে। বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে যেন কোনও বাসস্ট্যান্ডের ধ্বংসাবশেষ। পাঁচিল দিয়ে ঘেরা হলেও বাসস্ট্যান্ডের ভিতরে অবাধ আনাগোনা সমাজবিরোধীদের। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাত হলেই সেই সরকারি বাসস্ট্যান্ড হয়ে ওঠে নেশাখোরদের আখড়া। তা চালু করা হয়নি। কবে তা চালু হবে, সেই নিয়ে সন্দিহান প্রশাসনিক মহলও।
Advertisement
কৃষ্ণনগরবাসীর দীর্ঘদিনের অভিযোগ, এসবিএসটিসি বাসস্ট্যান্ডে নেশারুদের দৌরাত্ম্য দীর্ঘদিন ধরে চলছে। ভিতরে সেভাবে আলোর ব্যবস্থা নেই। যার ফলে সন্ধ্যা থেকেই বাসস্ট্যান্ড অন্ধকারে ডুবে থাকে। রাত হলেই সমাজবিরোধীরা ঘাঁটি গাড়ে বাসস্ট্যান্ডের ভিতরে। পাঁচিল দিয়ে ঘেরা হওয়ায় বাইরের লোকজনের আপত্তির ঝঞ্ঝাট নিতে হয় না। কিন্তু, দিনের পর দিন এটা চলতে থাকায় তিতিবিরক্ত স্থানীয়রা। এর ফলে বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকাতেও রাতের দিকে মদ্যপ, সমাজবিরোধীদের দাপট বাড়ে। তাতে অতিষ্ঠ হতে হয় সাধারণ মানুষকেও। ঘূর্ণির বাসিন্দা তন্ময় পাল বলেন, কাজ অর্ধেক হয়ে পড়ে রয়েছে। রাত হলেই পাঁচিল ঘেরা বাসস্ট্যান্ডের ভিতরে মদের আসর বসে। এতে পরিবেশ খারাপ হচ্ছে।
পরিবহণ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৯-’২০ সালে কৃষ্ণনগরে এসবিএসটিসির বাসস্ট্যান্ড তৈরির প্রস্তাব আসে। তারপর করোনার কারণে শুরুতেই সেই কাজ বাধা পায়। ২০২১ সালের শেষের দিকে বাসস্ট্যান্ড তৈরির তোড়জোড় শুরু হয়। তবে ২০২৪ সালের মে মাসে এই বাসস্ট্যান্ডের জন্য প্রশাসনিক অনুমোদন মেলে। তবে কাজ এখনও সেইভাবে এগয়নি।
নদীয়া জেলা পরিবহণ দপ্তরের এক আধিকারিকের কথায়, গত বছর মে মাসে এসবিএসটিসি বাসস্ট্যান্ড নিয়ে প্রশাসনিক অনুমোদন এসেছে। দুর্গাপুর ডিপোকে টাকা দেওয়া হয়েছে। এই কাজ সম্পূর্ণভাবেই এসবিএসটিসি’র তরফে দেখা হচ্ছে। আশা করা যায়, খুব শীঘ্রই বাসস্ট্যান্ড চালু করা যাবে।
কৃষ্ণনগর শহরে দু’টি বাসস্ট্যান্ড রয়েছে, একটি পুরাতন বাসস্ট্যান্ড। অন্যটি নতুন বাসস্ট্যান্ড। এখান থেকে জেলার বিভিন্ন দিকের ৬০০-র বেশি বেসরকারি বাস চলে। এসবিএসটিসি’র বাস চালু হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে বলে অনেকে মনে করছেন।
পরিবহণ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৯-’২০ সালে কৃষ্ণনগরে এসবিএসটিসির বাসস্ট্যান্ড তৈরির প্রস্তাব আসে। তারপর করোনার কারণে শুরুতেই সেই কাজ বাধা পায়। ২০২১ সালের শেষের দিকে বাসস্ট্যান্ড তৈরির তোড়জোড় শুরু হয়। তবে ২০২৪ সালের মে মাসে এই বাসস্ট্যান্ডের জন্য প্রশাসনিক অনুমোদন মেলে। তবে কাজ এখনও সেইভাবে এগয়নি।
নদীয়া জেলা পরিবহণ দপ্তরের এক আধিকারিকের কথায়, গত বছর মে মাসে এসবিএসটিসি বাসস্ট্যান্ড নিয়ে প্রশাসনিক অনুমোদন এসেছে। দুর্গাপুর ডিপোকে টাকা দেওয়া হয়েছে। এই কাজ সম্পূর্ণভাবেই এসবিএসটিসি’র তরফে দেখা হচ্ছে। আশা করা যায়, খুব শীঘ্রই বাসস্ট্যান্ড চালু করা যাবে।
কৃষ্ণনগর শহরে দু’টি বাসস্ট্যান্ড রয়েছে, একটি পুরাতন বাসস্ট্যান্ড। অন্যটি নতুন বাসস্ট্যান্ড। এখান থেকে জেলার বিভিন্ন দিকের ৬০০-র বেশি বেসরকারি বাস চলে। এসবিএসটিসি’র বাস চালু হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে বলে অনেকে মনে করছেন।



