নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: ধারাবাহিক কেন্দ্রীয় বঞ্চনা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার নিজেদের কোষাগার থেকে টাকা দিয়ে গরিব মানুষের বাড়ি তৈরি করে দিচ্ছে। তার জন্য রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছিল উপভোক্তা যাচাইয়ের সমীক্ষা। সেই কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় বাড়ি বাড়ি এই সার্ভে চালাতে গিয়ে সমীক্ষক দল কার্যত স্তম্ভিত। কারণ, কেউ কেউ প্রশাসনকে সাফ জানিয়ে দিচ্ছেন, তাঁরা বাড়ি তৈরির টাকা নিতে চান না। উপভোক্তা তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার জন্য অনেকে লিখিতভাবেও আবেদন করেছেন। তবে সবচেয়ে বেশি অবাক করার মতো বিষয় হল, জেলার প্রায় তিন হাজার উপভোক্তার কোনও হদিশ নেই। দীর্ঘদিন তাঁরা এলাকা থেকে ‘নিখোঁজ’। তাই তাঁদের ক্ষেত্রে সার্ভের কাজ বন্ধ রাখতে হয়েছে জেলা প্রশাসনকে।
Advertisement
সূত্রের খবর, উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় সমীক্ষার কাজ ৯০ শতাংশের বেশি সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। ২০১৮ সালের আবেদন অনুযায়ী সার্ভে হচ্ছে। সেই সময়ের আবেদনকারীদের মধ্যে অনেকে মারা গিয়েছেন। কেউ কেউ কর্মসূত্রে সপরিবারে অন্য রাজ্যে গিয়ে সেখানেই স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। ফলে সার্ভে করতে গিয়ে তাঁদের কোনও খোঁজ মিলছে না। কারও কারও সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হলেও তাঁরা এখনই গ্রামে ফিরতে পারবেন না বলে জানিয়ে দিচ্ছেন। তাই এসব ক্ষেত্রে সার্ভের কাজ পুরোপুরি স্থগিত করে দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া, এলাকায় সমীক্ষক দল গেলে অনেকেই বাড়ি দেখিয়ে বলছেন, ‘আমারা বাড়ি চাই না!’ কারণ, গত তিন-চার বছরের মধ্যে অনেকেই নিজস্ব বাড়ি তৈরি করে নিয়েছেন। শতাধিক মানুষ লিখিতভাবে বাড়ি না নেওয়ার কথা জানিয়ে দিয়েছেন জেলা প্রশাসনকে। যেমন, শচীন দেব (নাম পরিবর্তিত) লিখিতভাবে হাবড়া ১ নং ব্লকের বিডিওকে জানিয়েছেন, তাঁর এখন বাড়ির প্রয়োজন নেই। কারণ, তাঁদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে আগের তুলনায়। ব্যবসা করে তিনি নিজেই পাকাবাড়ি তৈরি করে নিয়েছেন। বাগদার বাসিন্দা রীতা দাস (নাম পরিবর্তিত) বাড়ির জন্য আবেদন করেছিলেন। এখন তিনি প্রতিষ্ঠিত। তাই বাড়ি না নেওয়ার কথা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন। বারাসত ১ ব্লকের দত্তপুকুরের এক বাসিন্দা সার্ভে টিমের কাছেই উপভোক্তা তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার আবেদন করেছেন। জেলা প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, ‘প্রতিটি জায়গায় নিত্যনতুন অভিজ্ঞতা হচ্ছে। তবে বাড়ি ফেরানো আর আবেদনকারীদের হদিশ না পাওয়া—দু’টি বিষয় আালাদা। নিয়ম মেনে যা পদক্ষেপ প্রয়োজন, সেটাই করা হচ্ছে।’ প্রসঙ্গত, ২৩ ডিসেম্বরের মধ্যেই আবাসের টাকা ছাড়া শুরু হয়ে যাবে বলে নবান্ন সূত্রে খবর। তার আগে আবাস প্রাপকদের চূড়ান্ত তালিকা প্রত্যেকটি ব্লক থেকে শুরু করে মহকুমাশাসক, জেলাশাসকদের অফিস ও জেলার ওয়েবসাইটে দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে।
এছাড়া, এলাকায় সমীক্ষক দল গেলে অনেকেই বাড়ি দেখিয়ে বলছেন, ‘আমারা বাড়ি চাই না!’ কারণ, গত তিন-চার বছরের মধ্যে অনেকেই নিজস্ব বাড়ি তৈরি করে নিয়েছেন। শতাধিক মানুষ লিখিতভাবে বাড়ি না নেওয়ার কথা জানিয়ে দিয়েছেন জেলা প্রশাসনকে। যেমন, শচীন দেব (নাম পরিবর্তিত) লিখিতভাবে হাবড়া ১ নং ব্লকের বিডিওকে জানিয়েছেন, তাঁর এখন বাড়ির প্রয়োজন নেই। কারণ, তাঁদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে আগের তুলনায়। ব্যবসা করে তিনি নিজেই পাকাবাড়ি তৈরি করে নিয়েছেন। বাগদার বাসিন্দা রীতা দাস (নাম পরিবর্তিত) বাড়ির জন্য আবেদন করেছিলেন। এখন তিনি প্রতিষ্ঠিত। তাই বাড়ি না নেওয়ার কথা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন। বারাসত ১ ব্লকের দত্তপুকুরের এক বাসিন্দা সার্ভে টিমের কাছেই উপভোক্তা তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার আবেদন করেছেন। জেলা প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, ‘প্রতিটি জায়গায় নিত্যনতুন অভিজ্ঞতা হচ্ছে। তবে বাড়ি ফেরানো আর আবেদনকারীদের হদিশ না পাওয়া—দু’টি বিষয় আালাদা। নিয়ম মেনে যা পদক্ষেপ প্রয়োজন, সেটাই করা হচ্ছে।’ প্রসঙ্গত, ২৩ ডিসেম্বরের মধ্যেই আবাসের টাকা ছাড়া শুরু হয়ে যাবে বলে নবান্ন সূত্রে খবর। তার আগে আবাস প্রাপকদের চূড়ান্ত তালিকা প্রত্যেকটি ব্লক থেকে শুরু করে মহকুমাশাসক, জেলাশাসকদের অফিস ও জেলার ওয়েবসাইটে দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে।



