নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রায় তিন বছর আগে ঘর থেকে চুরি গিয়েছিল ২২ লক্ষ টাকার সোনার গয়না। এতদিন ধরে তদন্ত করেও সেই সোনার কণামাত্র উদ্ধার করতে পারেনি নারকেলডাঙা থানার পুলিস। এবার সেই চুরির কিনারা করতে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগের ডাকাতি দমন শাখাকে তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট।
Advertisement
মামলাকারী বাপটু হালদার শিয়ালদহে ডিআরএম কোয়ার্টারে থাকেন। তাঁর অভিযোগ, ২০২১ সালের ৯ অক্টোবর তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তান দক্ষিণ ২৪ পরগনার বহড়ুতে গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলেন। তিনদিন পর ১২ তারিখ তিনিও সেখানে যান। কোয়ার্টারের ডুপ্লিকেট চাবি ছিল পরিচারিকা অনিতা দাসের কাছে। অনিতা প্রায় ছ’বছর ধরে ওই বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করেন। বাপটু মামলায় জানিয়েছেন, ১৮ অক্টোবর সকালে তিনি বহড়ু থেকে শিয়ালদহে ফিরে এসে অফিসে যান। তাঁর দাবি, ওইদিন তিনি দুপুরে খেতে বাড়িতে এসেছিলেন। খেয়েদেয়ে ফের অফিসে যাওয়ার সময় শোয়ার ঘরের দরজায় তালা দিতে ভুলে যান। তবে মেন গেটে তালা দিয়েছিলেন। পরের দিন ১৯ অক্টোবর তাঁর স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে শিয়ালদহের কোয়ার্টারে ফেরেন। অনিতা ছাড়াও শুভঙ্করী দলুই নামে আরও এক পরিচারিকা কাজ করতেন বলে দাবি করেছেন বাপটু। তাঁর স্ত্রী যেহেতু কর্মরতা, তাই শুভঙ্করী সন্তানদের দেখভাল করতেন।
মামলাকারীর দাবি, ৩ নভেম্বর কালীপুজোর অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য স্ত্রী গয়না বের করবেন বলে লকার খুললে দেখতে পান প্রায় ২২ লক্ষ টাকার সোনা উধাও। বিষয়টি দেখার পরই নারকেলডাঙা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। কিন্তু তারপর প্রায় তিন বছর কেটে গেলেও সেই সোনার গয়না উদ্ধার করতে পারেনি পুলিস। সন্দেহভাজন হিসেবে পরিচারিকাদের নাম জানালেও পুলিস কোনও পদক্ষেপ করেনি বলে অভিযোগ বাপটুর। এরপর তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে মামলাটি উঠলে যাবতীয় তথ্য দেখে তিনি মন্তব্য করেন, ‘এত বছর কেটে গেলেও পুলিস কেন এই চুরির কিনারা করতে পারল না?’ এরপরই লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগের ডাকাতি দমন শাখাকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।
মামলাকারীর দাবি, ৩ নভেম্বর কালীপুজোর অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য স্ত্রী গয়না বের করবেন বলে লকার খুললে দেখতে পান প্রায় ২২ লক্ষ টাকার সোনা উধাও। বিষয়টি দেখার পরই নারকেলডাঙা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। কিন্তু তারপর প্রায় তিন বছর কেটে গেলেও সেই সোনার গয়না উদ্ধার করতে পারেনি পুলিস। সন্দেহভাজন হিসেবে পরিচারিকাদের নাম জানালেও পুলিস কোনও পদক্ষেপ করেনি বলে অভিযোগ বাপটুর। এরপর তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে মামলাটি উঠলে যাবতীয় তথ্য দেখে তিনি মন্তব্য করেন, ‘এত বছর কেটে গেলেও পুলিস কেন এই চুরির কিনারা করতে পারল না?’ এরপরই লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগের ডাকাতি দমন শাখাকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।



