Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬

টানা ৩০ মাস পর আমানতের হার বৃদ্ধিতে ব্যাঙ্কগুলিতে স্বস্তি

টানা ৩০ মাস পর আমানতের হার বৃদ্ধিতে ব্যাঙ্কগুলিতে স্বস্তি
  • ২ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
 নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ৩০ মাস পর জমাখরচের হিসাব বদল। রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কগুলির সবথেকে বড় সঙ্কট তৈরি হয়েছিল বিগত আড়াই বছর ধরে আমানতের পরিমাণ উদ্বেগজনকভাবে কমতে থাকায়। প্রতি মাসে ব্যাঙ্ক যত টাকা ঋণ দিচ্ছে সেই তুলনায় সেভিংস, কারেন্ট, রেকারিং এবং ফিক্সড ডিপোজিটে টাকা জমা পড়ছে না। ২০২২ সাল থেকে দেখা যাচ্ছে এই প্রবণতা। অবশেষে অক্টোবর মাস ব্যাঙ্কগুলির জন্য নিয়ে এসেছে সুখবর। ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত সময়সীমার হিসেবে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক জানতে পারছে যে, ওই প্রবণতার ইতিবাচক বদল ঘটেছে। অর্থাৎ আবার ব্যাঙ্কগুলিতে জমা হওয়া টাকার হার বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে ঋণ বাবদ প্রদান করা অর্থের তুলনায়। 
Advertisement
অক্টোবর মাসে ডিপোজিট বেড়েছে ১১.২৪ শতাংশ। আর ঋণ বেড়েছে ১১.৫২ শতাংশ। চলতি আর্থিক বছরের দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই উল্টো প্রবণতা আবার ফিরে আসায় স্বস্তি পাচ্ছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক।
ব্যাঙ্কে সঞ্চয় কিংবা ফিক্সড ডিপোজিটে রাখা টাকার তুলনায় আজকাল মিউচুয়াল ফান্ড অথবা শেয়ার বাজারের প্রতি আকর্ষণ বাড়ছে। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল বেকারত্ব এবং কর্মে অনিশ্চয়তা। এই সবকিছুর যোগফলের প্রতিফলন দেখা গিয়েছে ব্যাঙ্কের খাতার জমাখরচের হিসাবে। যা উদ্বেগজনক ছিল সরকারের কাছেও। একের পর এক ব্যাঙ্কিং সংক্রান্ত সম্মেলন অথবা বৈঠকে অর্থমন্ত্রক এবং রিজার্ভ ব্যাঙ্ক রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কগুলির কর্তাদের বলেছে, যেভাবেই হোক ব্যাঙ্কে টাকা রাখার প্রতি আকর্ষণ তৈরি করতে হবে। এবার অক্টোবর মাসের রিপোর্ট দেখে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক মনে করছে মানুষ আবার ব্যাঙ্কে সঞ্চয়ে ফিরছে। কিন্তু একইসঙ্গে প্রশ্ন উঠছে কেন ফিরছে? মানুষের হাতে হঠাৎ করে অতিরিক্ত অর্থ এসে গিয়েছে এমন তো নয়। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক মনে করছে ক্রয় প্রবণতা কমিয়ে দিয়েছে আমজনতা। কারণ অবশ্যই আর্থিক অনিশ্চয়তা। তাই যতটা সম্ভব সঞ্চয়ে রাখতে চাইছে মানুষ। কারণ অনিশ্চিত অর্থনীতি, অনিশ্চিত কর্মসংস্থান এবং আয়। 
সম্পর্কিত সংবাদ