


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: খানিকটা আচম্বিতেই। দিল্লিতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের। শুক্রবার প্রশাসনিক কারণেই দিল্লির হেইলি রোডে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অতিথিশালা বঙ্গভবনে এসেছিলেন শুভেন্দুবাবু। ঘটনাচক্রে সেইসময় বঙ্গভবনে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল বিধায়ক। মুখ্যমন্ত্রীকে দেখে নিজেই এগিয়ে যান ঋতব্রত। দাঁড়িয়ে পড়েন শুভেন্দুবাবুও। সহাস্যে কিছুক্ষণ কথা হয় দু’জনের মধ্যে। পরে তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক দাবি করেছেন, তাঁর জন্য এতদিন যে এমপি ফ্ল্যাট নির্ধারিত ছিল, তা ছেড়ে দেওয়া সহ কিছু অফিসিয়াল কাজেই তিনি দিল্লিতে এসেছেন। মধ্যাহ্নভোজ সারতে বঙ্গভবনে আসায় কাকতালীয়ভাবে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয়েছে। এসংক্রান্ত বিষয়ে স্বাভাবিকভাবেই অত্যন্ত জল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। অবশ্য ঋতব্রত বলেন, ‘এর মধ্যে কোনো জল্পনা নেই। আমি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগও দেব না। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা হয়ে গেলে সৌজন্যতা দেখানোই শিষ্টাচার। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী দলের বিধায়কদেরও রাজ্য সরকার আমন্ত্রণ জানাবে। দল আমাকে যা নির্দেশ দেবে, আমি তাই করব। তবে ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, রাজ্যের এমন বৈঠকে অবশ্যই বিরোধী দলের বিধায়কদের উপস্থিত থাকা প্রয়োজন।’
এদিকে এদিন তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগদানের বিষয়ে দিল্লিতে রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, ‘তৃণমূলের প্রত্যেকেই খারাপ এবং দুর্নীতিগ্রস্ত, আমি তা মনে করি না। তৃণমূলে অনেক ভালো মানুষ আছেন। তাঁদের কেউ কেউ বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগও করছেন। কিন্তু আমরা এমন কোনো যোগদানের বিপক্ষে।’ শুক্রবার দিল্লিতে বিজেপির অন্যতম সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা পশ্চিমবঙ্গের সাংগঠনিক ভারপ্রাপ্ত বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা সুনীল বনসলের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেছেন শমীকবাবু। সেখানেও এবিষয় স্পষ্ট করা হয়েছে বলেই খবর।