নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: টেলিকম সংস্থাগুলির জন্য আবার বড়সড় আর্থিক প্যাকেজ দিতে চলেছে কেন্দ্র। মকুব করা হতে পারে ৮২ হাজার থেকে এক লক্ষ কোটি টাকা। ২০২১ সালে করোনাকালেও এমনই পদক্ষেপ করেছিল সরকার। সেবার ১ লক্ষ ৪৭ হাজার কোটি টাকার ছাড় দেওয়া হয়েছিল। তার পরেও লাইসেন্স ফি ও স্পেকট্রাম মাশুল বাবদ এই সংস্থাগুলির থেকে সরকারের পাওনা আছে যথাক্রমে ৯২ হাজার কোটি টাকা এবং ৫৫ হাজার কোটি টাকা।
Advertisement
গত বছরই মাশুল বাড়িয়েছিল প্রতিটি টেলিকম সংস্থা। রিচার্জ বা পোস্ট পেইড বিল অনেক বেড়ে যায়। তার পরে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার পরিষেবা বিচ্ছিন্ন করে বিএসএনএল সংযোগ নেওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ভারতের সবথেকে দ্রুতগামী বাণিজ্য টেলিকম। যদিও দেশের টেলিকম ক্ষেত্রের সামগ্রিক আর্থিক হাল মজবুত নয়। এই অবস্থায় সংস্থাগুলির আবেদনে সাড়া দিয়ে সরকার ফের আর্থিক প্যাকেজ দিতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে।
সমস্ত টেলিকম সংস্থার অ্যাডজাস্টেড গ্রস রেভেনিউ (এজিআর) ৫০ শতাংশ এবং জরিমানা ১০০ শতাংশ মকুব করার জন্য অর্থমন্ত্রকের কাছে সুপারিশ করেছিল টেলিকম মন্ত্রক। সেই প্রস্তাব বর্তমানে বিবেচনাধীন। অর্থমন্ত্রক তাতে ছাড়পত্র দিলে সবথেকে বেশি উপকৃত হবে ভারতী এয়ারটেল এবং ভোডাফোন। এয়ারটেলের উপর থেকে প্রায় ৩৮ হাজার কোটি টাকার চাপ কমে যাবে। আর ভোডাফোনের চাপ কমবে ৫২ হাজার কোটি টাকা। ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভোডাফোনের কাছে কেন্দ্রীয় সরকারের এজিআর বাবদ পাওনা ৭৭ হাজার কোটি টাকা। আর এয়ারটেলের বকেয়া ৪০ হাজার কোটি টাকা। ২০২০ সালে সুপ্রিম কোর্ট
জানিয়েছিল টেলিকম সংস্থাগুলি তাদের বকেয়া ১০ বছর ধরে শোধ করবে। ১০ শতাংশ ২০২১ সালের মার্চের মধ্যে মিটিয়ে দিতে হবে। ২০২১ সালে সরকার চার বছরের জন্য সেই প্রদেয় স্থগিত করেছিল। মার্চ মাসে শেষ হচ্ছে সেই মেয়াদ। সেই প্রেক্ষিতে নতুন করে প্যাকেজ দেওয়ার জোরদার সম্ভাবনা।
সমস্ত টেলিকম সংস্থার অ্যাডজাস্টেড গ্রস রেভেনিউ (এজিআর) ৫০ শতাংশ এবং জরিমানা ১০০ শতাংশ মকুব করার জন্য অর্থমন্ত্রকের কাছে সুপারিশ করেছিল টেলিকম মন্ত্রক। সেই প্রস্তাব বর্তমানে বিবেচনাধীন। অর্থমন্ত্রক তাতে ছাড়পত্র দিলে সবথেকে বেশি উপকৃত হবে ভারতী এয়ারটেল এবং ভোডাফোন। এয়ারটেলের উপর থেকে প্রায় ৩৮ হাজার কোটি টাকার চাপ কমে যাবে। আর ভোডাফোনের চাপ কমবে ৫২ হাজার কোটি টাকা। ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভোডাফোনের কাছে কেন্দ্রীয় সরকারের এজিআর বাবদ পাওনা ৭৭ হাজার কোটি টাকা। আর এয়ারটেলের বকেয়া ৪০ হাজার কোটি টাকা। ২০২০ সালে সুপ্রিম কোর্ট
জানিয়েছিল টেলিকম সংস্থাগুলি তাদের বকেয়া ১০ বছর ধরে শোধ করবে। ১০ শতাংশ ২০২১ সালের মার্চের মধ্যে মিটিয়ে দিতে হবে। ২০২১ সালে সরকার চার বছরের জন্য সেই প্রদেয় স্থগিত করেছিল। মার্চ মাসে শেষ হচ্ছে সেই মেয়াদ। সেই প্রেক্ষিতে নতুন করে প্যাকেজ দেওয়ার জোরদার সম্ভাবনা।



