সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: তালডাংরা গ্রামীণ হাসপাতালে ২৫শয্যার নতুন আইসোলেশন ওয়ার্ড তৈরি হবে। এজন্য ২৫লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। এতদিন বিভিন্ন সংক্রামক রোগে আক্রান্তদের আলাদা জায়গায় চিকিৎসার জন্য আইসোলেশন ওয়ার্ডের ব্যবস্থা ছিল না। সেজন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রাজ্যে প্রস্তাব পাঠিয়েছিল। তা অনুমোদন করে ২৫লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার। এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন তালডাংরার বাসিন্দারা।
Advertisement
তালডাংরার বিএমওএইচ অরিজিৎ মণ্ডল বলেন, আমাদের হাসপাতালে বেশিরভাগ সময় শয্যাসংখ্যার দ্বিগুণ রোগী ভর্তি থাকে। সংক্রামক রোগে আক্রান্তদের জন্য পৃথক ওয়ার্ড না থাকায় সমস্যা হয়। এবার আইসোলেশন ওয়ার্ড তৈরিতে রাজ্যের অনুমোদন মিলেছে। হাসপাতাল চত্বরে যথেষ্ট জায়গা রয়েছে। সেখানেই ওয়ার্ডটি তৈরি হবে। এছাড়া, আমাদের হাসপাতালকে ১০০শয্যার করা, নতুন এক্স-রে মেশিন বসানোর প্রস্তাবও পাঠানো হয়েছে।
তালডাংরা গ্রামীণ হাসপাতালে পুরুষ ও মহিলা বিভাগ মিলিয়ে ৪০টি শয্যা রয়েছে। কিন্তু এখন গড়ে ৮০-৯০জন রোগী সেখানে ভর্তি থাকেন। আউটডোরে প্রতিদিন ৬০০’র বেশি রোগী ডাক্তার দেখাতে আসেন। তালডাংরা ব্লকের নয়টি অঞ্চল ছাড়াও সিমলাপাল ব্লকের কিছু অংশের বাসিন্দারা এই হাসপাতালের উপর নির্ভরশীল। সেজন্য হাসপাতালে প্রচুর ভিড় হয়। স্থানীয়দের তরফে হাসপাতালে শয্যাসংখ্যা বাড়ানোর জন্য বারবার দাবি তোলা হয়েছিল। এবার হাসপাতালটিকে ১০০ শয্যার করতে কর্তৃপক্ষই স্বাস্থ্যদপ্তরে প্রস্তাব পাঠিয়েছে।
এতদিন সংক্রামক রোগে আক্রান্তদের আলাদা রাখা নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সমস্যায় পড়ত। হাসপাতালেরই ছোট কোনও ঘরে ওই রোগীদের রাখা হতো। এবার পৃথক আইসোলেশন ওয়ার্ড তৈরির দাবি মঞ্জুর হয়েছে। সেজন্য টাকা বরাদ্দ হওয়ায় খুশি তালডাংরার বাসিন্দারা।
তালডাংরা গ্রামীণ হাসপাতালে পুরুষ ও মহিলা বিভাগ মিলিয়ে ৪০টি শয্যা রয়েছে। কিন্তু এখন গড়ে ৮০-৯০জন রোগী সেখানে ভর্তি থাকেন। আউটডোরে প্রতিদিন ৬০০’র বেশি রোগী ডাক্তার দেখাতে আসেন। তালডাংরা ব্লকের নয়টি অঞ্চল ছাড়াও সিমলাপাল ব্লকের কিছু অংশের বাসিন্দারা এই হাসপাতালের উপর নির্ভরশীল। সেজন্য হাসপাতালে প্রচুর ভিড় হয়। স্থানীয়দের তরফে হাসপাতালে শয্যাসংখ্যা বাড়ানোর জন্য বারবার দাবি তোলা হয়েছিল। এবার হাসপাতালটিকে ১০০ শয্যার করতে কর্তৃপক্ষই স্বাস্থ্যদপ্তরে প্রস্তাব পাঠিয়েছে।
এতদিন সংক্রামক রোগে আক্রান্তদের আলাদা রাখা নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সমস্যায় পড়ত। হাসপাতালেরই ছোট কোনও ঘরে ওই রোগীদের রাখা হতো। এবার পৃথক আইসোলেশন ওয়ার্ড তৈরির দাবি মঞ্জুর হয়েছে। সেজন্য টাকা বরাদ্দ হওয়ায় খুশি তালডাংরার বাসিন্দারা।



