নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: ৫০ লক্ষ টাকা তোলাবাজির অভিযোগ! সেই টাকা না দেওয়ায় রিভলবারের বাঁট দিয়ে মেরে প্রোমোটারের মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘটনায় সোমবার অভিযুক্ত তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলার সমরেশ চক্রবর্তীর বাড়িতে হানা দিল বাগুইআটি থানার পুলিস। কমিশনারেট সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি। তিনি এখন ‘পলাতক’! এদিকে, ভরা বাজারে তৃণমূল কাউন্সিলারের বাড়িতে পুলিসকে ঢুকতে দেখে এলাকায় ঢি ঢি পড়ে গিয়েছে। রবিবার রাতেই দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। তারপর কাউন্সিলারের বাড়িতে তল্লাশি করা হয়। স্থানীয় এক বাসিন্দার কথায়, আইনের চোখে সবাই যে সমান, তা পুলিসের এই অভিযানে পজিটিভ বার্তা যাচ্ছে এলাকায়।
Advertisement
বাগুইআটি থানার অন্তর্গত রঘুনাথপুরে একটি বহুতল নির্মাণ করছেন প্রোমোটার কিশোর হালদার। অভিযোগ, পুজোর আগেই তাঁর কাছে ৫০ লক্ষ টাকা তোলা চেয়েছিল বিধাননগর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলার সমরেশ চক্রবর্তী। কিন্তু, কিশোরবাবু এই বিপুল পরিমাণ টাকা দিতে রাজি ছিলেন না। তিনি কালীপুজোর চাঁদা মিলিয়ে মোট ৩ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু, তোলার বকেয়া ৪৭ লক্ষ টাকার জন্য তাঁর উপর নানা চাপ তৈরি করা হচ্ছিল। নিজের অফিসে ডেকে নাকি প্রোমোটারকে ধমকও দেওয়া হয়েছিল। গণ্ডগোল চলছিল বেশ কয়েকদিন ধরে।
প্রোমোটারের অভিযোগ, রবিবার নির্মাণ সাইটে ঢুকে কাউন্সিলারের লোকজন তাঁকে, তাঁর শ্যালক এবং দুই শ্রমিককে মারধর করে। রিভলভারের বাঁট দিয়ে মেরে মাথা ফাটানো হয়েছে কিশোরবাবুর। রবিবার বিকেলেই তিনি বাগুইআটি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাতে কাউন্সিলারের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন। অভিযোগ দায়ের হওয়া মাত্রই তদন্তে নামে পুলিস। সন্ধ্যার মধ্যে এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই দু’জনই কাউন্সিলারের অনুগামী। মারধরে কাউন্সিলারের নাম না থাকলেও তোলাবাজির ঘটনায় তাঁর কথা উল্লেখ রয়েছে। কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, তোলাবাজির জন্যই মারধরের অভিযোগ।
তাই কাউন্সিলারের বিরুদ্ধেও সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
স্থানীয়দের কথায়, পুরসভার যে কোনও কাউন্সিলারের সঙ্গেই পুলিস-প্রশাসনের ওঠাবসা দেখা যায়। সকলে ভয়ে থাকেন। কিন্তু, তোলাবাজিতে তাঁর বাড়িতেই পুলিস ঢুকতেই এলাকায় কৌতূহলী চোখের ভিড় কম ছিল না। এদিকে, এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বও অস্বস্তিতে পড়েছে। সূত্রের খবর, দলীয় নেতৃত্ব বিষয়টিকে ভালো চোখে দেখছে না। ঠিক কী হয়েছে, তার তদন্ত চাইছে দলও। কারণ, ব্যক্তিগত অভিযোগ হলেও এর সঙ্গে দলের ভাবমূর্তিও জড়িয়ে রয়েছে। এদিনও কাউন্সিলারের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হয়েছিল। কিন্তু, তাঁর কল ফরওয়ার্ড থাকায় ফোনে পাওয়া যায়নি। তাই তাঁর প্রতিক্রিয়াও মেলেনি।
প্রোমোটারের অভিযোগ, রবিবার নির্মাণ সাইটে ঢুকে কাউন্সিলারের লোকজন তাঁকে, তাঁর শ্যালক এবং দুই শ্রমিককে মারধর করে। রিভলভারের বাঁট দিয়ে মেরে মাথা ফাটানো হয়েছে কিশোরবাবুর। রবিবার বিকেলেই তিনি বাগুইআটি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাতে কাউন্সিলারের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন। অভিযোগ দায়ের হওয়া মাত্রই তদন্তে নামে পুলিস। সন্ধ্যার মধ্যে এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই দু’জনই কাউন্সিলারের অনুগামী। মারধরে কাউন্সিলারের নাম না থাকলেও তোলাবাজির ঘটনায় তাঁর কথা উল্লেখ রয়েছে। কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, তোলাবাজির জন্যই মারধরের অভিযোগ।
তাই কাউন্সিলারের বিরুদ্ধেও সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
স্থানীয়দের কথায়, পুরসভার যে কোনও কাউন্সিলারের সঙ্গেই পুলিস-প্রশাসনের ওঠাবসা দেখা যায়। সকলে ভয়ে থাকেন। কিন্তু, তোলাবাজিতে তাঁর বাড়িতেই পুলিস ঢুকতেই এলাকায় কৌতূহলী চোখের ভিড় কম ছিল না। এদিকে, এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বও অস্বস্তিতে পড়েছে। সূত্রের খবর, দলীয় নেতৃত্ব বিষয়টিকে ভালো চোখে দেখছে না। ঠিক কী হয়েছে, তার তদন্ত চাইছে দলও। কারণ, ব্যক্তিগত অভিযোগ হলেও এর সঙ্গে দলের ভাবমূর্তিও জড়িয়ে রয়েছে। এদিনও কাউন্সিলারের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হয়েছিল। কিন্তু, তাঁর কল ফরওয়ার্ড থাকায় ফোনে পাওয়া যায়নি। তাই তাঁর প্রতিক্রিয়াও মেলেনি।



