নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: তক্ষক (টেকো গেকো) পাচারকাণ্ডের শিকড় খুঁজতে ধৃত অভিযুক্তদের হেফাজতে নিয়ে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করল বনদপ্তর। গত বুধবার রাতে ইটাহার থানার পুলিস তরুণ সরকার, শিবশঙ্কর পাসওয়ান, উত্তম দাস ও বেলাল আলি নামে চারজনকে একটি প্রাপ্তবয়স্ক তক্ষক সহ পাকড়াও করে বনদপ্তরের হাতে তুলে দেয়। পরের দিন বৃহস্পতিবার বনদপ্তর তাদের জেলা আদালতে হাজির করে। ধৃতদের সেদিন ৪ দিনের জন্য জেল হেফাজতে পাঠায় আদালত। তারপর থেকে বনদপ্তর পাচারকাণ্ডের ব্যাপারে বিভাগীয় তদন্ত চালিয়ে যায়। তাতেই বেশকিছু তথ্য হাতে এসেছে বনদপ্তরের। যার ভিত্তিতেই এদিন জেলা আদালতে বনদপ্তর ওই ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। রায়গঞ্জের ডিএফও ভূপেন বিশ্বকর্মা জানিয়েছেন, তক্ষক (টেকো গেকো) পাচারকাণ্ডের শিকড় খুঁজতেই ধৃতদের আমরা এদিন জেলা আদালতে আবেদন করে ১ দিনের জন্য হেফাজতে নিয়েছি। জিজ্ঞাসাবাদ করছি। তাদের সঙ্গে আরও কারা জড়িত? কাদের মাধ্যমে তক্ষকটিকে উত্তর ২৪ পরগণা থেকে ইটাহারে চাভোট গ্রাম পর্যন্ত আনা হয়েছিল? এসব প্রশ্নের উত্তর পেতেই এই পদক্ষেপ। গত বুধবার পুলিসের জালে পাকড়াও হওয়া চারজন পাচারকারীর মধ্যে মাস্টার মাইন্ড হিসেবে দেখা হচ্ছে উত্তর ২৪ পরগনার জেলার বাসিন্দা তরুণ সরকারকে। বনদপ্তরের তদন্তকারীদের বিশেষ নজরে রয়েছে নেপালে পাচারকারী হিসেবে কাজ করতে অভ্যস্ত শিবশঙ্কর পাসওয়ান। চক্রটিকে পুরোদমে সাহায্যকারী হিসেবে ছিল উত্তম দাস ও বেলাল আলি। প্রত্যেককেই এদিন পৃথকভাবে ও মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে বনদপ্তর সূত্রে খবর। অনুমান করা হচ্ছে তক্ষকটিকে ভায়া নেপাল হয়ে চিনে পাচারের ছক ছিল পাচারকারীদের। এ ব্যাপারেই আরও তথ্য তালাশ শুরু হয়েছে।



