নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: সল্টলেক থেকে রাজারহাট। বিধাননগর পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের রাস্তা বেহাল। কোথাও খানা-খন্দ, কোথাও আবার ভেঙেচুরে একাকার। টাকার অভাবের জন্য রাস্তা সংস্কার করা যাচ্ছে না বলে দাবি করতেন পুরসভার কর্মকর্তারা। কিন্তু, সেই দাবিকে উড়িয়ে দিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। বৃহস্পতিবার বিধাননগর পুরসভার কাউন্সিলারদের নিয়ে বৈঠকের পর মন্ত্রী বলেন, টাকার কোনও অভাব নেই, রাস্তা সংস্কার করার জন্য ইঞ্জিনিয়ারের অভাব রয়েছে! তাই আমরা ঠিক করেছি, কেএমডিএ থেকে ডেপুটেশনে বিধাননগর পুরসভাকে ইঞ্জিনিয়ার দেব। ওই ইঞ্জিনিয়াররা মনিটরিং করবেন। পরে পুরসভা ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ করে ঘাটতি মেটাবে।
Advertisement
এদিন পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরে বিধাননগর পুরসভার মেয়র, ডেপুটি মেয়র, বরো চেয়ারম্যান, মেয়র পারিষদ সহ সব কাউন্সিলাদের নিয়ে বৈঠক করেন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। সেখানে বিধাননগরের বিধায়ক তথা মন্ত্রী সুজিত বসু এবং রাজারহাট-নিউটাউনের বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন। কিছুদিন আগেই চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্তের সঙ্গে কাউন্সিলার প্রসেনজিৎ নাগের বাগবিতণ্ডা হয়েছিল। তা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, দু’জনেই ভালো ছেলে। আমরা সবাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের টিম। ‘হট টক’ হতেই পারে। তবে, আমরা কাজ করব একসঙ্গে মিলিতভাবে।
শহরের জঞ্জাল সাফাই ইস্যুতে মন্ত্রী বলেন, জঞ্জাল ফেলার জন্য পাথরঘাটায় একটি প্রসেসিং ইউনিট হবে। যতদিন তা না হয়, ততদিন পর্যন্ত ডাম্পার ভাড়া করে ধাপায় ফেলা হবে। মোল্লার ভেড়ি বন্ধ হয়ে যাওয়ার জন্যই সল্টলেকের রাস্তায় নোংরা জমে থাকছে। তিনি বলেন, কলকাতার মতো বিধাননগরেও জলের অপচয় বন্ধ করার ব্যবস্থা করা হবে। সেই সঙ্গে একটি পানীয় জল প্রকল্পের কাজ হয়েছে। প্রতিবারই পুরসভার পক্ষ থেকে বিধাননগর মেলা ও উৎসবের আয়োজন করা হয়। কিন্তু, এবার আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে এই মেলা ও উৎসব করার অভিযোগ উঠেছে। এব্যাপারে মন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, ‘আমি বলে দিয়েছি। পুরসভা নিজেরাই বিধাননগর মেলা করবে।’
শহরের জঞ্জাল সাফাই ইস্যুতে মন্ত্রী বলেন, জঞ্জাল ফেলার জন্য পাথরঘাটায় একটি প্রসেসিং ইউনিট হবে। যতদিন তা না হয়, ততদিন পর্যন্ত ডাম্পার ভাড়া করে ধাপায় ফেলা হবে। মোল্লার ভেড়ি বন্ধ হয়ে যাওয়ার জন্যই সল্টলেকের রাস্তায় নোংরা জমে থাকছে। তিনি বলেন, কলকাতার মতো বিধাননগরেও জলের অপচয় বন্ধ করার ব্যবস্থা করা হবে। সেই সঙ্গে একটি পানীয় জল প্রকল্পের কাজ হয়েছে। প্রতিবারই পুরসভার পক্ষ থেকে বিধাননগর মেলা ও উৎসবের আয়োজন করা হয়। কিন্তু, এবার আউট সোর্সিংয়ের মাধ্যমে এই মেলা ও উৎসব করার অভিযোগ উঠেছে। এব্যাপারে মন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, ‘আমি বলে দিয়েছি। পুরসভা নিজেরাই বিধাননগর মেলা করবে।’



