সংবাদদাতা, বেলদা: ভুয়ো নথি দিয়ে বেলদার এক রাষ্ট্রায়াত্ত্ব ব্যাঙ্কের শাখা থেকে ঋণ নিয়ে উধাও এক ব্যক্তি। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম বাপন মাঝি। সে নিজেকে ঝাড়গ্রাম হাসপাতালের কর্মী পরিচয় দিয়ে ১৪ লক্ষ টাকা ব্যক্তিগত ঋণ নিয়েছিল ওই রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কের বেলদা শাখা থেকে। কিন্তু বছর ঘুরে গেলেও আর টাকা পরিশোধের নাম করেননি। তখন ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে ওই ব্যক্তির সম্বন্ধে খোঁজখবর শুরু হয়। খোঁজ নিয়ে ব্যাঙ্ক জানতে পারে, ঋণ নেওয়ার জন্য যে সমস্ত নথি ব্যাঙ্কে জমা দেওয়া হয়েছিল সব নকল। এরপর ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে বেলদা থানায় বাপন মাঝির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। তবে কী করে ভুয়ো নথি দেখিয়ে ওই ব্যক্তি এত টাকা ঋণ পেল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে গ্রাহকদের একাংশ।
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, অভিযুক্ত বাপন মাঝি ঋণ নেওয়ার জন্য ব্যাঙ্ককে যে নথি দিয়েছিল তাতে উল্লেখ ছিল, বাপন ঝাড়গ্রাম হাসপাতালে চাকরি করে। তার বাড়ি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার সুন্দরবন কোস্টাল থানা এলাকার হেন্তালাবাদি মৃধাপাড়ায়। অভিযুক্ত ঋণ নিয়েছিল ২০২৩ সালের ২৬ অক্টোবর। ব্যাঙ্ক এখনও তার কাছে আসল হিসেবে ১৩ লক্ষ ৩৪ হাজার ৬২৪ টাকা পাবে। তার সঙ্গে যুক্ত হবে সুদ, পেনাল্টি এবং অন্যান্য চার্জ। টাকা না পেয়ে ব্যাঙ্কের ওই শাখার বর্তমান ম্যানেজার উদিশ ছেত্রী গত শনিবার বেলদা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তারপরই ঘটনার তদন্তে নামে বেলদা থানার পুলিস। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে খোঁজখবর নেওয়া শুরু হয়েছে। শীঘ্রই অভিযুক্ত গ্রেপ্তার হবে।
তবে এ ব্যাপারে সন্দেহের ঊর্ধ্বে নয় ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধেও গাফিলতির অভিযোগ উঠছে। সাধারণ মানুষ ঋণ নিতে গেলে যেখানে একাধিকবার বিভিন্ন নথি চেয়ে হয়রান করার অভিযোগ ওঠে বারে বারে। সে নথি যাচাই করতেও সময় নেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে একজন স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেওয়ার পর খোঁজ খবর না নিয়েই কী করে ঋণ দেওয়া হয়েছিল। না হলে চাকরির ভুয়ো নথি বেরল কী করে? তাহলে এই ঘটনায় ব্যাঙ্কের কেউ জড়িত নয় তো? এই প্রশ্নও উঠছে। এই প্রশ্ন ওঠার আরও একটি বড় কারণ হল, অভিযুক্ত চাকরি করত ঝাড়গ্রামে। আর তার বাড়ি সুন্দরবনে। অথচ ঝাড়গ্রাম বা সুন্দরবন থেকে ঋণ না নিয়ে কেন এত দূরে বেলদাতে গেল ঋণ নিতে। ব্যাঙ্কের ম্যানেজার উদিশ ছেত্রী ভুয়ো নথি দেখিয়ে ঋণ নেওয়ার কথা স্বীকার করলেও ব্যাঙ্কের গাফিলতির বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি। পুলিস জানিয়েছে, তদন্তে সব দিক খতিয়ে দেখা হবে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা গেলেই জানা যাবে ব্যাঙ্কের কেউ জড়িত কিনা।
তবে এ ব্যাপারে সন্দেহের ঊর্ধ্বে নয় ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধেও গাফিলতির অভিযোগ উঠছে। সাধারণ মানুষ ঋণ নিতে গেলে যেখানে একাধিকবার বিভিন্ন নথি চেয়ে হয়রান করার অভিযোগ ওঠে বারে বারে। সে নথি যাচাই করতেও সময় নেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে একজন স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেওয়ার পর খোঁজ খবর না নিয়েই কী করে ঋণ দেওয়া হয়েছিল। না হলে চাকরির ভুয়ো নথি বেরল কী করে? তাহলে এই ঘটনায় ব্যাঙ্কের কেউ জড়িত নয় তো? এই প্রশ্নও উঠছে। এই প্রশ্ন ওঠার আরও একটি বড় কারণ হল, অভিযুক্ত চাকরি করত ঝাড়গ্রামে। আর তার বাড়ি সুন্দরবনে। অথচ ঝাড়গ্রাম বা সুন্দরবন থেকে ঋণ না নিয়ে কেন এত দূরে বেলদাতে গেল ঋণ নিতে। ব্যাঙ্কের ম্যানেজার উদিশ ছেত্রী ভুয়ো নথি দেখিয়ে ঋণ নেওয়ার কথা স্বীকার করলেও ব্যাঙ্কের গাফিলতির বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি। পুলিস জানিয়েছে, তদন্তে সব দিক খতিয়ে দেখা হবে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা গেলেই জানা যাবে ব্যাঙ্কের কেউ জড়িত কিনা।



