সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: নাগরিকদের নিরাপত্তার জন্য বিষ্ণুপুর শহরে একাধিক বাহাদুর নিয়োগ করলেন কাউন্সিলাররা। বিনিময়ে নাগরিকদের কাছ থেকে তাঁদের অর্থ সংগ্রহেরও অনুমতি দেওয়ায় তা নিয়ে শহরে শোরগোল পড়েছে। আধার কার্ড অনুযায়ী খড়্গপুরের পাঁচজন যুবক বিষ্ণুপুর শহরে রাতপাহারা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন কাউন্সিলারের কাছে অনুমতি চান। সেই মতো একাধিক ওয়ার্ডের কাউন্সিলার তাঁদের প্যাডে লিখিত অনুমতিও দেন। ওই অনুমতি নিয়েই বাহাদুররা নাগরিকদের দরজায় দরজায় গিয়ে টাকা আদায় করছেন। যদিও এবিষয়ে পুরসভার চেয়ারম্যান কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন। তবে কাউন্সিলারদের একাংশ অবশ্য জানিয়েছেন, বাহাদুর নিয়োগের বিষয়টি চেয়ারম্যানকে জানানো হয়েছে।
Advertisement
বিষ্ণুপুর পুরসভার চেয়ারম্যান গৌতম গোস্বামী বলেন, শহরে রাত পাহারার জন্য বাহাদুর নিয়োগ করা হয়েছে বলে আমার জানা নেই। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলারদের সঙ্গে কথা বলব।
এব্যাপারে বিষ্ণুপুরের এসডিপিও সুপ্রকাশ দাস বলেন, নাগরিকদের কাছ থেকে জোর করে টাকা আদায়ের অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কিছুদিন ধরে রাতে শহরের বিভিন্ন রাস্তায় হুইশ্ল বাজার আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে। এবং মাস ফুরোলেই দু’জন বহিরাগত ব্যক্তি বাহাদুর পরিচয় দিয়ে বাড়ি পিছু ৫০ টাকা করে আদায় করছেন। এব্যাপারে কেউ প্রশ্ন করলে তাঁরা সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলারের নিয়োগপত্র দেখাচ্ছেন।
এব্যাপারে কাউন্সিলারদের একাংশ বলেন, শহরে চুরির ঘটনা ঘটছে। বাহাদুররা রাতে পাহারা দেন। ওঁরা এব্যাপারে আমাদের কাছে অনুমতি চেয়েছিলেন। বিষয়টি পুরসভার চেয়ারম্যানকেও জানানো হয়েছিল। এমনকী ওঁদের পরিচয় সম্পর্কে তথ্য থানায় জমা রয়েছে। সেই ভরসাতেই তাঁদের রাতপাহারার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তার বিনিময়ে নাগরিকরা তাঁদের যাতে কিছু অর্থ সাহায্য করেন, সেব্যাপারে একটি সম্মতি পত্রও প্রদান করা হয়েছে।
কাউন্সিলারের প্যাডে ওই সম্মতিপত্রে লেখা রয়েছে, ‘বর্তমান সময়কাল অত্যন্ত ভয়াবহ। চারিদিকে চুরি, ছিনতাই ও অসামাজিক কাজকর্ম ঘটে চলেছে। তাই শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য দু’জন বাহাদুর নিয়োগ করা হচ্ছে। তার জন্য ওদের মাসিক আর্থিক সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা করলে ওরা জীবিকা নির্বাহ করতে পারবে। এবং বিনিময়ে আপনারা নির্ভয়ে বসবাস ও রাত্রিবাস করতে পারবেন।’ ওই চিঠি নিয়েই নাগরিকদের একাংশ প্রশ্নও তুলছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, যে শহরে দেড় লক্ষের বেশি মানুষ বসবাস করেন। তাঁদের নিরাপত্তার জন্য ৫ জন বাহাদুর নিয়োগ করলেই চুরি থেমে যাবে? আগেকার দিনে পুলিস কর্মীর সংখ্যা কম ছিল। তখন বহু জায়গায় বাহাদুররা রাতপাহারা দিতেন। কিন্তু বর্তমানে সেই অবস্থা নেই। তা সত্ত্বেও কাউন্সিলাররা কীভাবে বাহাদুর নিয়োগ করেন? নাগরিকদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করার অনুমতিই বা কীভাবে দিতে পারেন? তবে নাগরিকদের অনেকেই মনে করছেন, রাতে বাহাদুরদের হুইশ্লের আওয়াজ পেলে অনেকখানি ভরসা পাওয়া যায়। আবার স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বলেন, বাহাদুরের বাঁশি মাঝে মধ্যে শোনা যায়। কিন্তু মাস ফুরোলেই টাকা আদায়ে ঠিক চলে আসছেন। আসলে পুরসভা ওদেরকে অর্থ রোজগারের একটা রাস্তা তৈরি করে দিয়েছে।
এব্যাপারে বিষ্ণুপুরের এসডিপিও সুপ্রকাশ দাস বলেন, নাগরিকদের কাছ থেকে জোর করে টাকা আদায়ের অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কিছুদিন ধরে রাতে শহরের বিভিন্ন রাস্তায় হুইশ্ল বাজার আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে। এবং মাস ফুরোলেই দু’জন বহিরাগত ব্যক্তি বাহাদুর পরিচয় দিয়ে বাড়ি পিছু ৫০ টাকা করে আদায় করছেন। এব্যাপারে কেউ প্রশ্ন করলে তাঁরা সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলারের নিয়োগপত্র দেখাচ্ছেন।
এব্যাপারে কাউন্সিলারদের একাংশ বলেন, শহরে চুরির ঘটনা ঘটছে। বাহাদুররা রাতে পাহারা দেন। ওঁরা এব্যাপারে আমাদের কাছে অনুমতি চেয়েছিলেন। বিষয়টি পুরসভার চেয়ারম্যানকেও জানানো হয়েছিল। এমনকী ওঁদের পরিচয় সম্পর্কে তথ্য থানায় জমা রয়েছে। সেই ভরসাতেই তাঁদের রাতপাহারার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তার বিনিময়ে নাগরিকরা তাঁদের যাতে কিছু অর্থ সাহায্য করেন, সেব্যাপারে একটি সম্মতি পত্রও প্রদান করা হয়েছে।
কাউন্সিলারের প্যাডে ওই সম্মতিপত্রে লেখা রয়েছে, ‘বর্তমান সময়কাল অত্যন্ত ভয়াবহ। চারিদিকে চুরি, ছিনতাই ও অসামাজিক কাজকর্ম ঘটে চলেছে। তাই শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য দু’জন বাহাদুর নিয়োগ করা হচ্ছে। তার জন্য ওদের মাসিক আর্থিক সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা করলে ওরা জীবিকা নির্বাহ করতে পারবে। এবং বিনিময়ে আপনারা নির্ভয়ে বসবাস ও রাত্রিবাস করতে পারবেন।’ ওই চিঠি নিয়েই নাগরিকদের একাংশ প্রশ্নও তুলছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, যে শহরে দেড় লক্ষের বেশি মানুষ বসবাস করেন। তাঁদের নিরাপত্তার জন্য ৫ জন বাহাদুর নিয়োগ করলেই চুরি থেমে যাবে? আগেকার দিনে পুলিস কর্মীর সংখ্যা কম ছিল। তখন বহু জায়গায় বাহাদুররা রাতপাহারা দিতেন। কিন্তু বর্তমানে সেই অবস্থা নেই। তা সত্ত্বেও কাউন্সিলাররা কীভাবে বাহাদুর নিয়োগ করেন? নাগরিকদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করার অনুমতিই বা কীভাবে দিতে পারেন? তবে নাগরিকদের অনেকেই মনে করছেন, রাতে বাহাদুরদের হুইশ্লের আওয়াজ পেলে অনেকখানি ভরসা পাওয়া যায়। আবার স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বলেন, বাহাদুরের বাঁশি মাঝে মধ্যে শোনা যায়। কিন্তু মাস ফুরোলেই টাকা আদায়ে ঠিক চলে আসছেন। আসলে পুরসভা ওদেরকে অর্থ রোজগারের একটা রাস্তা তৈরি করে দিয়েছে।



