সংবাদদাতা, কাঁথি: রামনগরের পর্যটন কেন্দ্র তাজপুর সৈকতে সিআরজেড আইন না মেনে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কংক্রিটের গার্ডওয়াল তৈরির অভিযোগ উঠল। রীতিমতো সমুদ্রের চর থেকে বালি তুলে ওই গার্ডওয়াল তৈরি হচ্ছে। হোটেল নির্মাণের জন্য গার্ডওয়াল তৈরি হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। সমুদ্রের ধারে ব্যক্তিগতভাবে কেউ গার্ডওয়াল তৈরি করতে পারে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
Advertisement
যদিও বিষয়টি নজরে আসার পর প্রশাসন এব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। কোস্টাল রেগুলেশন জোন আইন অনুযায়ী, জোয়ার-ভাটার সময় সমুদ্রের জল যতদূর এসে পৌঁছয়, সেখান থেকে অন্তত ৫০০ মিটারের মধ্যে কোনওরকম নির্মাণ করা যাবে না। এক্ষেত্রে কোনও নিয়ম-বিধি মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরে তাজপুরের সমুদ্র সৈকতে ওই গার্ডওয়াল তৈরি করছেন এক হোটেল মালিক।
এজন্য সমুদ্রের চর থেকে জেসিবি মেশিন দিয়ে দেদার বালিও তোলা হচ্ছে বলে অভিযোগ। সেই বালি কংক্রিটের গার্ডওয়াল তৈরির কাজে লাগানো হচ্ছে। এবিষয়ে দীঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন সংস্থার মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক অপূর্বকুমার বিশ্বাস বলেন, বিষয়টি জানার পর ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। ভূমিদপ্তর বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। তারা রিপোর্ট দিলে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পদক্ষেপ করা হবে। বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ প্রমাণিত হলে কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।
তাজপুরের পাশেই রয়েছে মন্দারমণি পর্যটন কেন্দ্র। সেখানেও সমুদ্রসৈকত দখল করে হোটেল-লজ নির্মাণের অভিযোগ উঠছে বারবার। মাস দুয়েক আগে মন্দারমণিতে জাতীয় পরিবেশ আদালতের নির্দেশের প্রেক্ষিতে ১৪৪টি হোটেল ভেঙে ফেলতে উদ্যোগী হয় পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন। যা নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভ শুরু করেছিলেন হোটেল মালিকরা। তারপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে জেলা প্রশাসন পিছিয়ে আসে। যদিও তার আগে প্রশাসনের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল মন্দারমণির হোটেলমালিক সংগঠন। বর্তমানে তা বিচারাধীন রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তাজপুরে নতুন করে নির্মাণের অভিযোগ ওঠায় প্রশাসনের মধ্যে অস্বস্তি বাড়ছে।
এজন্য সমুদ্রের চর থেকে জেসিবি মেশিন দিয়ে দেদার বালিও তোলা হচ্ছে বলে অভিযোগ। সেই বালি কংক্রিটের গার্ডওয়াল তৈরির কাজে লাগানো হচ্ছে। এবিষয়ে দীঘা-শঙ্করপুর উন্নয়ন সংস্থার মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক অপূর্বকুমার বিশ্বাস বলেন, বিষয়টি জানার পর ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। ভূমিদপ্তর বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। তারা রিপোর্ট দিলে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পদক্ষেপ করা হবে। বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ প্রমাণিত হলে কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।
তাজপুরের পাশেই রয়েছে মন্দারমণি পর্যটন কেন্দ্র। সেখানেও সমুদ্রসৈকত দখল করে হোটেল-লজ নির্মাণের অভিযোগ উঠছে বারবার। মাস দুয়েক আগে মন্দারমণিতে জাতীয় পরিবেশ আদালতের নির্দেশের প্রেক্ষিতে ১৪৪টি হোটেল ভেঙে ফেলতে উদ্যোগী হয় পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন। যা নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভ শুরু করেছিলেন হোটেল মালিকরা। তারপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে জেলা প্রশাসন পিছিয়ে আসে। যদিও তার আগে প্রশাসনের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল মন্দারমণির হোটেলমালিক সংগঠন। বর্তমানে তা বিচারাধীন রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তাজপুরে নতুন করে নির্মাণের অভিযোগ ওঠায় প্রশাসনের মধ্যে অস্বস্তি বাড়ছে।



