সংবাদদাতা, কাঁথি: শেডের নীচে তিনটি ইটের পাঁজার উপর ফেলা লম্বা কংক্রিটের খুঁটি। সেটাই হচ্ছে বসার আসন। এই ছবি রামনগরের ঠিকরা রেল স্টেশনের। এছাড়াও রয়েছে নানা পরিকাঠামোগত সমস্যা। যা নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। তাঁরা অবিলম্বে স্টেশনের সামগ্রিক মানোন্নয়নের দাবি করেছেন। উল্লেখ্য, দীঘা ও রামনগরের মাঝেই রয়েছে ঠিকরা রেলস্টেশন। এই স্টেশন থেকে ট্রেনে চেপে সংশ্লিষ্ট গোবরা পঞ্চায়েতের সবক’টি গ্রামের মানুষ তো বটেই, তারসঙ্গে পার্শ্ববর্তী বসন্তপুর, হলদিয়া-১ ও হলদিয়া-২ পঞ্চায়েতের একাংশের মানুষও যাতায়াত করেন। কিন্তু স্টেশনে অপেক্ষমান যাত্রীদের বসার আসন নেই। কয়েকজন যাত্রী ওই ফেলে রাখা খুঁটির উপর বসেন। কেউ কেউ স্টেশনের টিকিট কাউন্টার সংলগ্ন ঘরে বসার জায়গা ব্যবহার করেন। তবে অধিকাংশ যাত্রীকেই ট্রেনের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। অনেক বছর আগে কিছু কংক্রিটের চেয়ার ছিল। সেগুলি কবেই নষ্ট হয়ে গিয়েছে। স্টেশনে যাত্রীদের জন্য একটি নলকূপ রয়েছে। পানীয় জলের সমস্যা তেমন না থাকলেও শৌচালয় নেই। এতে বিশেষত মহিলা যাত্রীরা খুবই সমস্যায় পড়েন। স্টেশনে বিদ্যুতের খুঁটি রয়েছে। সবগুলিতে অবশ্য আলো জ্বলে না। যেগুলি সচল, সেগুলিতে দিনের বেলায়ও আলো জ্বলতে থাকে। বন্ধ করার কেউ নেই। স্টেশনে প্ল্যাটফর্মে যাত্রীদের হাঁটাচলার সুবিধার জন্য অনেকটা অংশজুড়ে পেভার ব্লক বসানো হয়েছিল। সেগুলি খুলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে। স্টেশনে আসার জন্য ফতেপুর-মঙ্গলপুর রাস্তায় বিরামপুর থেকে যে সংযোগকারী আধ কিলোমিটার রাস্তা রয়েছে, তা এখনও মোরামেরই রয়ে গিয়েছে। যাত্রীদের বক্তব্য, বর্ষাকালে ওই রাস্তায় যাতায়াত করতে খুবই সমস্যা হয়।



