‘আরে আরে জগমোহন-এস, এস, এস/
Advertisement
বলতে পার কোথায় থাকে আদ্যানাথের মেসো?’
সুকুমার রায়ের ‘ঠিকানা’ কবিতায় এই এক ঠিকানা খুঁজতে গিয়ে ডাইনে-বায়ে, নাক বরাবার কতই না গোলকধাঁধাঁয় চরকি কাটতে হয়েছিল। তবে সময় বদলেছে। প্রযুক্তির ছোঁয়া দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি ধাপে। বাদ নয় ঠিকানাও। মুঠোফোনকে গন্তব্য বলে দিলেই দেখিয়ে দেবে নিখুঁত দিকনির্দেশ। সৌজন্যে গুগল ম্যাপ। দরকার শুধু ইন্টারনেট। তাহলেই কেল্লাফতে! নিশ্চিন্তে পৌঁছে যাবেন ‘আদ্যানাথের মেসোর’ বাড়ি। তবে মাঝেমধ্যে প্রযুক্তিও ধোঁকা দেয়। ব্যতিক্রম নয় গুগল ম্যাপও। তবে তা নগণ্যই।
গুগল ম্যাপের যাত্রা শুরু হয়েছিল আজ থেকে প্রায় দু’দশক আগে। অস্ট্রেলিয়ার দুই ভাই লার্স ও জেনস রাসমুসেন সি++ ল্যাঙ্গুয়েজকে ব্যবহার করে একটি ডেস্কটপ প্রোগ্রাম তৈরি করেছিলেন। ২০০৪ সালে ওই সংস্থাটি অধিগ্রহণ করে গুগল। ডেস্কটপের পাশাপাশি বাজারে আনা হয় মোবাইল অ্যাপও। ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হয় গুগল ম্যাপের। এতে স্যাটেলাইট ভিউ, এরিয়াল ফটোগ্রাফি, রাস্তার মানচিত্র, ৩৬০ ডিগ্রির ইন্টারেক্টিভ প্যানোরামিক ভিউ দেখা যায়। এছাড়া, রাস্তায় যানজট রয়েছে কি না, গন্তব্যে পৌঁছতে কত সময় লাগবে, গাড়ি-বাইক-বাসের সম্ভাব্য রুটও বলে দেয় এই অ্যাপ। ২০২০ সালের একটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বের ১০০ কোটির বেশি মানুষ এই অ্যাপ ব্যবহার করেন। বর্তমানে এই পরিষেবা জীবনের অঙ্গ হয়ে উঠেছে। ওষুধ, মুদি-মশলা, সবজি ডেলিভারি থেকে বাইক-ক্যাব পরিষেবা—সবই মূলত গুগল ম্যাপ নির্ভর। তাছাড়া, অ্যাপ খুললেই নিকটবর্তী রেস্তরাঁ, হোটেল, কফি শপ, হাসপাতাল-ক্লিনিক, দোকান, পেট্রল পাম্প থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় সমস্ত সম্ভাব্য গন্তব্যের দিশাও মিলছে এক নিমিষে। তাহলে আর দেরি কেন, ‘সার্চ হেয়ার’-এ গন্তব্য লিখে বেরিয়ে পড়ুন। সোজা পথের ধাঁধায় ঘুরতে হবে না। প্রযুক্তি ‘ধোঁকা’ না দিলে পৌঁছবেন গন্তব্যেই।
সুকুমার রায়ের ‘ঠিকানা’ কবিতায় এই এক ঠিকানা খুঁজতে গিয়ে ডাইনে-বায়ে, নাক বরাবার কতই না গোলকধাঁধাঁয় চরকি কাটতে হয়েছিল। তবে সময় বদলেছে। প্রযুক্তির ছোঁয়া দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি ধাপে। বাদ নয় ঠিকানাও। মুঠোফোনকে গন্তব্য বলে দিলেই দেখিয়ে দেবে নিখুঁত দিকনির্দেশ। সৌজন্যে গুগল ম্যাপ। দরকার শুধু ইন্টারনেট। তাহলেই কেল্লাফতে! নিশ্চিন্তে পৌঁছে যাবেন ‘আদ্যানাথের মেসোর’ বাড়ি। তবে মাঝেমধ্যে প্রযুক্তিও ধোঁকা দেয়। ব্যতিক্রম নয় গুগল ম্যাপও। তবে তা নগণ্যই।
গুগল ম্যাপের যাত্রা শুরু হয়েছিল আজ থেকে প্রায় দু’দশক আগে। অস্ট্রেলিয়ার দুই ভাই লার্স ও জেনস রাসমুসেন সি++ ল্যাঙ্গুয়েজকে ব্যবহার করে একটি ডেস্কটপ প্রোগ্রাম তৈরি করেছিলেন। ২০০৪ সালে ওই সংস্থাটি অধিগ্রহণ করে গুগল। ডেস্কটপের পাশাপাশি বাজারে আনা হয় মোবাইল অ্যাপও। ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হয় গুগল ম্যাপের। এতে স্যাটেলাইট ভিউ, এরিয়াল ফটোগ্রাফি, রাস্তার মানচিত্র, ৩৬০ ডিগ্রির ইন্টারেক্টিভ প্যানোরামিক ভিউ দেখা যায়। এছাড়া, রাস্তায় যানজট রয়েছে কি না, গন্তব্যে পৌঁছতে কত সময় লাগবে, গাড়ি-বাইক-বাসের সম্ভাব্য রুটও বলে দেয় এই অ্যাপ। ২০২০ সালের একটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বের ১০০ কোটির বেশি মানুষ এই অ্যাপ ব্যবহার করেন। বর্তমানে এই পরিষেবা জীবনের অঙ্গ হয়ে উঠেছে। ওষুধ, মুদি-মশলা, সবজি ডেলিভারি থেকে বাইক-ক্যাব পরিষেবা—সবই মূলত গুগল ম্যাপ নির্ভর। তাছাড়া, অ্যাপ খুললেই নিকটবর্তী রেস্তরাঁ, হোটেল, কফি শপ, হাসপাতাল-ক্লিনিক, দোকান, পেট্রল পাম্প থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় সমস্ত সম্ভাব্য গন্তব্যের দিশাও মিলছে এক নিমিষে। তাহলে আর দেরি কেন, ‘সার্চ হেয়ার’-এ গন্তব্য লিখে বেরিয়ে পড়ুন। সোজা পথের ধাঁধায় ঘুরতে হবে না। প্রযুক্তি ‘ধোঁকা’ না দিলে পৌঁছবেন গন্তব্যেই।



