নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কেন্দ্রীয় প্রকল্পের জন্য নয়া আইনে ক্ষতিপূরণ পেলেই জমি দেবেন, এমনই দাবি জানানো হয়েছিল জমির মালিকের তরফে। কিন্তু তাদের বেঁধে দেওয়া দামেই ওই জমি কিনতে চেয়েছিল প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত বেসরকারি ঠিকদার সংস্থা। কিন্তু জমির মালিক সেই দাবি না-মানায় তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন ওই জমির মালিক।
Advertisement
ফুড কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার (এফসিআই) খাদ্যশস্য আধুনিকভাবে সংরক্ষণ ও সরবরাহের জন্য সাইলো প্রকল্পের আওতায় গোডাউন তৈরি হচ্ছে। এই প্রকল্পে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার সারগাছি এলাকায় একটি গোডাউন তৈরির জন্য তেলেঙ্গানার একটি ঠিকাদার সংস্থাকে দায়িত্ব দিয়েছে এফসিআই। এজন্য জমি কিনে নিচ্ছে ওই সংস্থাই। তন্ময় মণ্ডলের পরিবারের অভিযোগ, জমি দেওয়ার ক্ষেত্রে ২০১৩ সালের আইন কার্যকর করার দাবি জানান তাঁরা। কিন্তু সেই দাবি না মেনে জমিটি ঠিকাদার সংস্থার দামেই বিক্রির জন্য তাঁদের উপর চাপ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। শেষমেশ পরিস্থিতির চাপে ওই পরিবার মামলা করে হাইকোর্টে।
২০২২ সালে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে এফসিআই এবং ওই ঠিকাদার সংস্থা জানিয়ে দেয়, ওই জমি তাদের প্রকল্পের জন্য প্রয়োজন নেই। যদিও তারপর থেকে জমিটি ওই সংস্থাকেই বিক্রি করার জন্য ফের চাপ বাড়তে থাকে বলে অভিযোগ। আরও অভিযোগ, সংস্থার সেই দাবি না-মানায় জমির মালিকের বিরুদ্ধে ঠিকাদার মিথ্যা মামলাও দায়ের করেছেন। এই কারণে ফের হাইকোর্টের দ্বারস্থ মণ্ডল পরিবার। আগামী মঙ্গলবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।
২০২২ সালে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে এফসিআই এবং ওই ঠিকাদার সংস্থা জানিয়ে দেয়, ওই জমি তাদের প্রকল্পের জন্য প্রয়োজন নেই। যদিও তারপর থেকে জমিটি ওই সংস্থাকেই বিক্রি করার জন্য ফের চাপ বাড়তে থাকে বলে অভিযোগ। আরও অভিযোগ, সংস্থার সেই দাবি না-মানায় জমির মালিকের বিরুদ্ধে ঠিকাদার মিথ্যা মামলাও দায়ের করেছেন। এই কারণে ফের হাইকোর্টের দ্বারস্থ মণ্ডল পরিবার। আগামী মঙ্গলবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।



