Bartaman Logo
১৩ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

এই খেতাব খুবই প্রয়োজন ছিল: দেবজিৎ ঘোষ

২২ বছরের শাপমোচন। দীর্ঘ সময় বাদে দেশের শীর্ষ লিগ চ্যাম্পিয়ন ইস্ট বেঙ্গল। অবশ্যই এই পর্বে অনেক ট্রফি জিতেছে ক্লাব। তবে লিগ জিততে না পারলে কোথাও সেই কৌলিন্য থাকে না।

এই খেতাব খুবই প্রয়োজন ছিল: দেবজিৎ ঘোষ
  • ২৩ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

২২ বছরের শাপমোচন। দীর্ঘ সময় বাদে দেশের শীর্ষ লিগ চ্যাম্পিয়ন ইস্ট বেঙ্গল। অবশ্যই এই পর্বে অনেক ট্রফি জিতেছে ক্লাব। তবে লিগ জিততে না পারলে কোথাও সেই কৌলিন্য থাকে না। তাই সেই সাফল্যের উদযাপন যে বাঁধনছাড়া হবে, সেটাই স্বাভাবিক। বছরের পর বছর সমর্থকদের মধ্যে জমে থাকা আপশোস ঘুচল। মনে রাখতে হবে, পেশার তাগিদে ফুটবলাররা আজ এই ক্লাবে তো কাল অন্য ক্লাবে। তবে সমর্থকদের যাওয়ার কোনও জায়গা নেই। তাদের প্রিয় রংটা একই থাকে। 

Advertisement

২০০৪ সালে আমিও এমনই মুহূর্তের সাক্ষী ছিলাম। সেবার সুভাষ ভৌমিকের প্রশিক্ষণে জাতীয় লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ইস্ট বেঙ্গল। যুবভারতীতে ইন্ডিয়ান ব্যাংকের বিরুদ্ধে দল ৩-০ ব্যবধানে জিতে দু’ম্যাচ আগেই লিগ নিশ্চিত হওয়ায় লাল-হলুদে রং মশাল, তুবড়িতে ছয়লাপ। সেবার আমরা কলকাতা লিগ, জাতীয় লিগের পাশাপাশি জিতেছিলাম আশিয়ান কাপ। সুভাষদার কোচিংয়ে আগুনে ফর্মে ছিল ইস্ট বেঙ্গল। কী দল ছিল সেবার। ওকোরো, ডগলাস, বাইচুং, আলভিটোর পাশাপাশি একঝাঁক বাঙালি ফুটবলার। গোটা মরশুম দুরন্ত ফুটবল খেলি আমরা। এবারের ইস্ট বেঙ্গল দলও গোটা মরশুম দুর্দান্ত ফুটবল খেলেছে। আইএফএ শিল্ড, সুপার কাপ ফাইনালে পৌঁছেও টাই-ব্রেকারে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল। তবে আইএসএলে যোগ্য দল হিসেবেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মিগুয়েলরা।
গত কয়েক বছর ধারাবাহিক সাফল্য পেয়েছে মোহন বাগান। তাই ইস্ট বেঙ্গলের জন্য এই লিগ জয়টা খুবই দরকার ছিল। এই দুই ক্লাব সফল না হলে কলকাতার ফুটবলকে বাঁচিয়ে রাখা মুশকিল। তবে একটাই আক্ষেপ, ক্রমশ এই দুই দল থেকে বাঙালি ফুটবলারের সংখ্যা ক্রমশ কমছে।
(লেখক ২০০৩-০৪ মরশুমে 
জাতীয় লিগ জয়ী দলের সদস্য)

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ