নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: পুরোদমে বর্ষা শুরুর আগেই, ঝাঁকে ঝাঁকে কুলিক নদীর পাড়ে হাজির পরিযায়ী পাখির দল। মূলত ইগ্রেটস প্রজাতির উপস্থিতি চোখে পড়তে শুরু করেছে। আর এই আগাম আগমনকে অত্যন্ত ইতিবাচক ইঙ্গিত বলে মনে করছেন পাখিপ্রেমীরা। বনদপ্তরের তরফে রায়গঞ্জের ডিএফও ভূপেন বিশ্বকর্মা বলেন, কুলিক পক্ষীনিবাসের অন্দরে ক্যানেলের জল পর্যাপ্ত পরিমাণে ধরে রাখা, যথাসময়ে পক্ষীখাদ্যের সরবরাহ করা সহ একাধিক কারণে পুরোদমে বর্ষা শুরুর আগেই পরিযায়ী পাখিদের আসা শুরু হয়েছে। পরিবেশপ্রেমীদের নজরেও বিষয়টি এসেছে। মূলত ইগ্রেটস প্রজাতির পরিযায়ী আসা শুরু হয়েছে। তবে এখনও দেখা নেই ওপেন বিল স্টোরক, নাইট হেরন, কর্মরেন্ট প্রজাতির। শীঘ্রই হয়ত ওই প্রজাতির পাখি চলে আসবে।
রাজ্য তথা দেশের পক্ষীপ্রেমী পর্যটকদের কাছে অন্যতম দ্রষ্টব্যস্থান এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম পক্ষীনিবাস কুলিক। পক্ষীপ্রেমী মানুষজন অবসর পেলেই বছরের নির্দিষ্ট কয়েক মাস ঢু মারেন এখানে। এখানকার হাজার হাজার দেশি বিদেশি পরিযায়ী পাখির কলতান মানুষের মনকে ভালো করে দেয়। সেই পাখিই এবার সময়ের আগে হাজির রায়গঞ্জে। অতীতে জুন মাসের আগে দেশি বিদেশি পাখিদের দেখাই যেত না। এখন মে মাসের মাঝেই পাখির আগমন হচ্ছে।
প্রকৃতিপ্রেমীদের কথায়, শুধু কুলিক পক্ষীনিবাসেই নয়, রায়গঞ্জ শহরের গীতাঞ্জলি এলাকা সহ একাধিক জায়গায় পরিযায়ীরা বাসা বাঁধতে শুরু করেছে গাছে গাছে। উত্তর দিনাজপুরের একটি পরিবেশপ্রেমী সংস্থার সম্পাদক গৌতম তান্তিয়া বলেন, এবার মে মাসে আগাম বৃষ্টির জন্য সময়ের একটু আগেভাগেই দেশি বিদেশি পরিযায়ী হাজির হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।