Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পূর্ব মেদিনীপুর থেকে তেরোশো পুলিশ কর্মী, আধিকারিক হাওড়া ও কলকাতায়

রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটের জন্য পূর্ব মেদিনীপুর থেকে পুলিশ অফিসার ও কর্মী মিলিয়ে মোট ১,৩১২ জন হাওড়া গ্রামীণ ও কলকাতায় রওনা দিচ্ছে

পূর্ব মেদিনীপুর থেকে তেরোশো পুলিশ কর্মী, আধিকারিক হাওড়া ও কলকাতায়
  • ২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০৪
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটের জন্য পূর্ব মেদিনীপুর থেকে পুলিশ অফিসার ও কর্মী মিলিয়ে মোট ১,৩১২ জন হাওড়া গ্রামীণ ও কলকাতায় রওনা দিচ্ছে। আজ, রবিবারের মধ্যেই জেলা পুলিশের অফিসার ও কর্মীদের পৌঁছে যেতে হবে। এই জেলায় ভোটের ডিউটিতে আসা আধা সেনা ইতিমধ্যেই দ্বিতীয় দফার ভোটের জন্য রওনা দিয়েছে। ভোট পরবর্তী হিংসা মোকাবিলায় আগামী কয়েকদিনের মধ্যে আধা সেনার টিম আবারও পূর্ব মেদিনীপুরে রওনা দেবে। তার আগে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে করতে বিভিন্ন জেলা থেকে বাহিনী উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

Advertisement

জানা গিয়েছে, হাওড়া গ্রামীণে মোট ২,৪৩১ ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে ভোট সম্পন্ন করতে ২৮ জন ইন্সপেক্টর, ৮২০জন এসআই ও এএসআই, ২,৬৭০ জন পুলিশকর্মী এবং ১৪৭ কোম্পানি আধা সেনা নিয়োগ করা হবে। সেই পুলিশ বাহিনীর একটি বড় অংশ যাবে পূর্ব মেদিনীপুর থেকে। এই জেলা থেকে ৮ জন ইন্সপেক্টর, ২৪৪জন এসআই ও এএসআই এবং এক হাজার পুলিশ কর্মী নিযুক্ত করা হবে। পুলিশ কর্মীদের মধ্যে কনস্টেবল, হোমগার্ড ও এনভিএফ কর্মীরাও আছেন। এছাড়াও পূর্ব মেদিনীপুর থেকে ১০জন এসআই এবং এএসআ‌ই, ১৫জন লেডি কনস্টেবল ও ৩৫জন পুলিশ কর্মী কলকাতায় রওনা দিচ্ছেন। কলকাতা পুরসভার অধীনে বিভিন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তাঁদের যুক্ত করা হবে। কমিশনের পক্ষ থেকে দ্বিতীয় দফায় নির্বাচনের জন্য বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। কোন জেলায় কত সংখ্যক বাহিনী প্রয়োজন এবং ঘাটতি কতটা তার হিসেব কষেই অন্য জেলা থেকে বাহিনী নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের বাইরে লাঠিধারী পুলিশ ভোটারের লাইন ঠিক করার জন্য থাকবে। এর বাইরে সেক্টর, আরটি মোবাইল, ক্যুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি)-র জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক জেলা পুলিশ প্রয়োজন। সেক্টরেই সবচেয়ে বেশি পুলিশ অফিসার ও কর্মী মোতায়েন করা হয়। বিক্ষিপ্ত দু’-একটি ঘটনা ছাড়া প্রথম দফায় নির্বাচন সুষ্ঠুভাবেই সম্পন্ন হয়েছে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং জঙ্গলমহলের জেলাগুলিতে ভোট নির্বিঘ্নেই মিটেছে। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনও অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে করতে চায় কমিশন। সেজন্য প্রত্যেক জায়গায় পর্যাপ্ত সংখ্যক আধা সেনা ও রাজ্য পুলিশ মোতায়েন করা হবে। খড়্গপুর জিআরপি থেকেও পুলিশ অফিসার ও কর্মীদের দ্বিতীয় দফায় ভোটের জন্য  যুক্ত করা হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ