Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

এখন‌ও অনেক পথ চলা বাকি: খালিদ

জাতীয় দলের দায়িত্ব নিয়েই নতুন দিশা দেখিয়েছেন খালিদ জামিল। তাঁর হাত ধরে কাফা নেশনস কাপে তৃতীয় স্থানে শেষ করেন গুরপ্রীত-আনোয়ার আলিরা। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলের অনুপস্থিতিতেও   তাজিকিস্তান ও ওমানের মতো দলকে পরাস্ত করেছেন  মুম্বইকর কোচ।

এখন‌ও অনেক পথ চলা বাকি: খালিদ
  • ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

  সঞ্জয় সরকার ,  কলকাতা:

Advertisement

জাতীয় দলের দায়িত্ব নিয়েই নতুন দিশা দেখিয়েছেন খালিদ জামিল। তাঁর হাত ধরে কাফা নেশনস কাপে তৃতীয় স্থানে শেষ করেন গুরপ্রীত-আনোয়ার আলিরা। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলের অনুপস্থিতিতেও   তাজিকিস্তান ও ওমানের মতো দলকে পরাস্ত করেছেন  মুম্বইকর কোচ। সামনে ২০২৭ এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাই পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। কয়েকদিনের মধ্যেই প্রস্তুতি শিবির নিয়ে ফেডারেশন কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। তার আগে ‘বর্তমান’কে  একান্ত সাক্ষাৎকার দিলেন  ভারতীয় কোচ খালিদ জামিল। 
প্রশ্ন: কাফা নেশনস কাপে জাতীয় দলের পারফরম্যান্স আশার আলোর দেখাচ্ছে।  ব্যক্তিগতভাবে আপনি কতটা তৃপ্ত?
খালিদ: যাবতীয় কৃতিত্ব ফুটবলারদের। ওদের পরিশ্রম আর অদম্য লড়াইয়ের সুফল মিলেছে। তবে আবেগে গা ভাসালে চলবে না। পথচলা সবে শুরু। এখন‌ও অনেক দূর যেতে হবে। 
প্রশ্ন: নতুন দায়িত্ব নিয়ে প্রথম ম্যাচের আগে কতটা চাপে ছিলেন?
খালিদ: চাপ ছিল না বললে সত্যের অপলাপ হবে। আসলে জাতীয় দলের সঙ্গে গোটা দেশের সম্মান জড়িত । গত কয়েক বছরের পারফরম্যান্সের পর কেউ আমাদের সেভাবে ধর্তব্যেই রাখনি। তাই ভালো ফল করতে মুখিয়ে ছিলাম। ছেলেরা উজাড় করে দিয়েছে।
প্রশ্ন: ফুটবলে এশিয়ার অন্যতম মুখ ইরান। প্রথমার্ধে তাদের রুখে দেওয়ার পরেও শেষ পর্যন্ত তিন গোলে হার কতটা কষ্ট দিয়েছিল ?
খালিদ:  হার‌ মানেই কষ্টের। তবে সেদিনের পারফরম্যান্সে প্রমাণিত, এই ভারতীয় দল প্রবল প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা রাখে। একইসঙ্গে এশিয়ার সেরা দলগুলোর থেকে আমরা কোথায় পিছিয়ে সেটাও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছে ইরান। আগামী দিনে দ্রুত ভুলত্রুটি শুধরে নিতে হবে। 
প্রশ্ন: কাফা নেশনস কাপে বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলারকে ছাড়া দল সাজাতে হয়েছিল। তবে আসন্ন ফিফা উইন্ডোতে ফুটবলার ছাড়তে বাধ্য ক্লাবগুলি। আপনার হাতে বিকল্প নিশ্চয়ই বাড়বে। প্রতিক্রিয়া কী?
খালিদ: দেশের জার্সিতে প্রত্যেকটি ফুটবলারই সমান গুরুত্বপূর্ণ। দলে যারা সুযোগ পেয়েছে, প্রত্যেকেই যোগ্যতা প্রমাণ করেছে। আগামী দিনেও সেটা মাথার রাখা হবে। এক‌ইসঙ্গে  বিকল্প বাড়লে তা সত্যিই ইতিবাচক দিক। 
প্রশ্ন: কয়েক বছর আগেও অনেক ক্লাব‌ আপনাকে নিয়োগ করতে চায়নি। এখন পরিস্থিতি বদলেছে। সমালোচকরাই এখন খালিদ বন্দনায় মত্ত। এটা কতটা আনন্দের?
খালিদ: আমি এসব নিয়ে ভাবি না। আমার কাছে পারফরম্যান্সই শেষ কথা। আরও ভালো করতে হবে। দেশের নাম উজ্জ্বল করাই একমাত্র লক্ষ্য।
প্রশ্ন: কলকাতায় আবাসিক শিবিরের পরিকল্পনা রয়েছে ?
খালিদ: ইচ্ছে তো তেমনটাই। বাকিটা পরিস্থিতির উপর নির্ভর করবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ