Bartaman Logo
৭ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

নেই স্থায়ী চিকিৎসক, রোগী সামলাচ্ছেন ফার্মাসিস্ট ও নার্স, বাগদা কনিয়াড়া প্রাথমিক সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র

কোভিডের পর কোনও স্থায়ী চিকিৎসক আসেননি বাগদার কনিয়াড়া প্রাথমিক সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রে

নেই স্থায়ী চিকিৎসক, রোগী সামলাচ্ছেন ফার্মাসিস্ট ও নার্স, বাগদা কনিয়াড়া প্রাথমিক সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র
  • ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বনগাঁ: কোভিডের পর কোনও স্থায়ী চিকিৎসক আসেননি বাগদার কনিয়াড়া প্রাথমিক সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রে। বদলি হিসেবে সপ্তাহে দু’তিনদিন আসেন অন্য চিকিৎসক। সেটাও অনিয়মিত। ফলে বাগদা ব্লকের কনিয়াড়া প্রাথমিক সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রে রোগীদের সেবা দিতে হয় ফার্মাসিস্ট ও নার্সকে। তাঁরাও ছুটিতে গেলে সমস্যায় পড়তে হয় রোগীদের। সম্প্রতি পথ দুর্ঘটনায় জখম হয়ে ছুটিতে ফার্মাসিস্ট। ফলে রোগীদের ভরসা একমাত্র নার্স। তিনি গ্রামবাসীদের ছোটখাট স্বাস্থ্য সংক্রান্ত অসুবিধা সামলে দিচ্ছেন ঠিকই। তবে একটু জটিল সমস্যায় ফিরে যেতে হচ্ছে রোগীদের। তাঁদের ভরসা দূরের বাগদা গ্রামীণ হাসপাতাল কিংবা বনগাঁ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল। দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসক না থাকায় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।

Advertisement


কনিয়াড়া প্রাথমিক সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপর নির্ভরশীল কনিয়াড়া, বেয়াড়া, বলিদাপুকুর, করঙ্গ, হরিনাথপুর সহ প্রায় ২০টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ। কোভিডের আগে একজন চিকিৎসক নিয়মিত রোগী দেখতেন এখানে। তিনি ডেপুটেশনে চলে যাওয়ার পর অনিয়মিত হয়ে যায় চিকিৎসা পরিষেবা। বর্তমানে সপ্তাহে দু’দিন একজন চিকিৎসক আসেন। সেটাও অনিয়মিত। এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে একজন ফার্মাসিস্ট, একজন নার্স ও জিডিএ রয়েছেন। অসুস্থতার কারণে ১৫ দিনের বেশি ছুটিতে ফার্মাসিস্ট। ফলে নার্স ও জিডিএ সামলাচ্ছেন রোগীদের। এলাকায় বহু মানুষ সুগার, প্রেশার সহ একাধিক সমস্যায় আক্রান্ত। নিয়মিত ওষুধ খেতে হয় তাঁদের। এই স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকেই বিনামূল্যে মেলে ওষুধ। ফার্মাসিস্ট না থাকায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাদের।


নার্স পলি দে বলেন, চিকিৎসক নিয়মিত না থাকায় অনেককে ফিরে যেতে হয়। জ্বর, সর্দিকাশির মতো ছোটখাট বিষয়ে ওষুধ দিতে পারলেও অন্য অনেক ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে হয়। স্থানীয় বাসিন্দা গৌড়াদিত্য বিশ্বাস বলেন, কনিয়াড়া প্রাথমিক সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপর নির্ভরশীল কয়েক হাজার বাসিন্দা। পরিকাঠামো থাকা সত্ত্বেও স্থায়ী চিকিৎসক না থাকায় রোগীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এবিষয়ে বাগদা ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক শুভ্রজ্যোতি মজুমদার বলেন, একজন চিকিৎসক ছিলেন। তিনি ডেপুটেশনে যাওয়ার পর বাগদা হাসপাতাল থেকে চিকিৎসক গিয়ে পরিষেবা দেন। 
সপ্তাহে তিনদিন যান। ফার্মাসিস্ট 
অসুস্থ হয়ে যাওয়ায় একটু সমস্যা হচ্ছে।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ