Bartaman Logo
২৯ জুন, ২০২৬

তৃণমূলের ‘বিদ্রোহীদের’ এনসিপিআই সাংসদের স্বীকৃতি দিতে পারেন স্পিকার, ঠান্ডা ঘরে যাচ্ছে অভিষেকের আবেদন?

তৃণমূলের বিদ্রোহী ২০ সাংসদের স্বীকৃতি নিয়ে চলছে টানাপোড়েন। অভিষেকের আবেদন কি ঠান্ডা ঘরে যাচ্ছে? বিস্তারিত পড়ুন।

তৃণমূলের ‘বিদ্রোহীদের’ এনসিপিআই সাংসদের স্বীকৃতি দিতে পারেন স্পিকার, ঠান্ডা ঘরে যাচ্ছে অভিষেকের আবেদন?
  • ২৯ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: তৃণমূলের প্রতীকে জেতা ২০ ‘বিদ্রোহী’ সাংসদের পদ খারিজ করতে হবে— গত ১৯ জুন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে এমনই আর্জি জানিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তাঁর আবেদন কি আপাতত ‘ঠান্ডা ঘরে’ যাচ্ছে? দলত্যাগ-বিরোধী আইনের অধীনে দাখিল হওয়া অভিষেকের আবেদনের নিষ্পত্তি করা এবং বিদ্রোহী সাংসদরা লোকসভায় স্বীকৃতি পাবেন কি না, তা নিয়ে লোকসভা সচিবালয়ে চলছে টানাপোড়েন। চলছে লাগাতার আইনি শলাপরামর্শ। বিদ্রোহী ২০ জনের নাম এখনো লোকসভার ওয়েবসাইটে তৃণমূল সাংসদ ব঩লেই উল্লেখ রয়েছে।

Advertisement

তবে যে সিদ্ধান্তই হোক না কেন, বিষয়টি যে শেষমেশ সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছবে, জানেন সবপক্ষই। সেই মতো প্রস্তুত উভয়েই। তবুও আসন্ন বাদল অধিবেশনের আগেই বিদ্রোহী তৃণমূলীদের ‘ন্যাশানালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া’ (এসসিপিআই) সাংসদ হিসাবে তকমা দেওয়া হবে বলেই বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে। অভিষেকের আর্জির বিষয়টি আপাতত নিষ্পত্তি করা হবে না। যদিও নির্বাচন কমিশনের খাতায় ‘রেজিস্ট্রার’, কিন্তু  অস্বীকৃত কোনো দলের (এনসিপিআই) সাংসদ মর্যাদা দেওয়ার নজির নেই। তাই লোকসভা সচিবালয় সংবিধান, সুপ্রিম কোর্ট, লোকসভায় এ ধরনের পরিস্থিতিতে কী উপায় রয়েছে, তার অন্বেষণে আর্কাইভের রেকর্ড পরীক্ষা করছে। চেষ্টা চলছে, দল বিরোধী আইনের কোপ এড়িয়ে কী করে বাংলার ওই ২০ জনকে লোকসভায় টিকিয়ে রাখা যায়। 
তবে কোথায় তাঁদের বসতে দেওয়া হবে, তা নিয়ে চাপে পড়েছে লোকসভা সচিবলায়। কারণ, স্রেফ তো তৃণমূলের বিদ্রোহী কুড়িই নয়। রয়েছে উদ্ধবপন্থী শিবসেনার ৬ জন। লোকসভায় এই শিবসেনার ৯ জন সাংসদ রয়েছেন। কিন্তু সম্প্রতি তাঁরা সিন্ধেপন্থী শিবসেনা শিবিরে যোগ দিয়েছেন। যদিও তাঁদের সাংসদ পদ খারিজের দাবিতে উদ্ধবপন্থী শিবসেনার পক্ষে ওম বিড়লার কাছে চিঠি জমা পড়েছে। পাশাপাশি এনডিএ শিবিরে যোগ না দিলেও কংগ্রেসের ওপর খাপ্পা দক্ষিণের দল ডিএমকে’র ২২ জন সাংসদ। রাহুল গান্ধীর সঙ্গে তাঁরা বসতে নারাজ। বিরোধী থাকলেও কানিমোঝি, টি আর বালু, এ রাজার মতো ডিএমকে সাংসদরা আলাদা বসতে চেয়ে স্পিকারকে চিঠি দিয়েছেন। ফলে বাদল অধিবেশনে অঙ্ক যাবে বদলে। কিন্তু ৪৮ জন সাংসদের জন্য কোথায় আসন বরাদ্দ করা যায়, চাপে পড়েছে লোকসভা সচিবালয়। ২০ জুলাই থেকে শুরু হতে পারে লোকসভার বাদল অধিবেশন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ