‘তেল-চিনি’ নিয়ে মোদি সরকারের সতর্কবার্তা! আর তা নিয়েই শিরোনামে চলে এসেছে জিলিপি ও শিঙাড়া। বাঙালির রথের মেলার জিলিপি-পাঁপড় হোক বা গুজরাতিদের জিলিপি-ফাফরা। ভারতের খাদ্য-সংস্কৃতির রন্ধ্রে রন্ধ্রে রয়েছে জিলিপি। আর তা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও জড়িয়ে পড়েছে। এর উপমা তো কথাবার্তাতেও চলে। মানব মনের জটিলতা বোঝাতে অনেক সময় জিলিপির প্যাঁচের কথা বলা হয়। তেমনি আবার হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিধানে মহিলাদের খোঁপার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। তাই যতই নিত্যনতুন মিষ্টি বা ডেজার্ট আসুক না কেন, জিলিপির আবেদনের সঙ্গে টেক্কা দেওয়াটা বেশ কঠিন। আর জিলিপি বলতে যে সব জায়গাতেই একই রকম, তা কিন্তু নয়। অঞ্চলভেদে এই মিষ্টান্নের কিছু নিজস্বতা গড়ে উঠেছে। আমাদের দেশে সাধারণত ময়দা ও বেসন মিশিয়ে জিলিপি তৈরি হয়। সঙ্গে কেশর, দারুচিনির মতো একাধিক উপাদান। মিষ্টির রসে ভেজানো প্যাঁচানো রূপের জন্যই তার পরিচিতি। তবে স্থান-কাল ভেদে উপকরণে বৈচিত্র্য রয়েছে। কোথাও ময়দার বদলে ছোলার ডাল, আবার কোথাও পনির-খোয়া। আলুও ব্রাত্য নয় উপকরণে। শুধু তাই নয়, উপাদান বৈচিত্রে জিলিপির রং-রূপেও বদল হয়।



