


সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: সমুদ্র উত্তাল হয়ে উঠেছে। ট্রলার নিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাড়ছে বিপদ। ফলে যেতে পারছেন না মৎস্যজীবীরা। তাঁদের নির্ভর করতে হচ্ছে স্থানীয় নদী ও খাঁড়ির উপর। পর্যাপ্ত মাছ না পাওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে মৎস্যজীবীদের।
মৎস্যজীবী সংগঠন সূত্রে জানা গিয়েছে, ইলিশ মাছ ধরার মরশুমের প্রায় প্রথম থেকেই এ বছর সমুদ্র উত্তাল হয়ে রয়েছে। গভীর সমুদ্রে কোনও ট্রলার নোঙর করে দাঁড়িয়ে জাল ফেলতে পারছে না। তাই বাধ্য হয়েই মৎস্যজীবীদের বারবার ফিরে আসতে হচ্ছে উপকূলে। তাছাড়াও এ বছর মৎস্যজীবীদের প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে পড়তে হয়েছে বারবার। সমুদ্র উত্তাল থাকার কারণে মাছ ধরতে যাওয়ার উপরও জারি হচ্ছে নিষেধাজ্ঞা। এই পরিস্থিতিতে উপকূলে দাঁড়িয়েই বেশি সময় কেটে যাচ্ছে মৎস্যজীবীদের। ভরসা বলতে নদীর মোহনা ও খাঁড়ি। লিটন দাস নামে এক মৎস্যজীবী বলেন, ‘সাধারণত গভীর সমুদ্র থেকে পাঁচ দিন পর মাছ ধরে ফিরে আসা হয়। সেখানে এখন এক থেকে দু’দিনের মধ্যে মাছ ধরে উপকূলে ফিরে আসতে হচ্ছে। সমুদ্র উত্তাল থাকার কারণে বেশি দূর যাওয়া যাচ্ছে না। মোহনায় ও খাঁড়িতে অল্প কিছু মাছ পাওয়া যায়। ফলে তেমন আয় হচ্ছে না। এছাড়াও এবছর সমুদ্রে সেভাবে ইলিশের দেখা মেলেনি।’ কাকদ্বীপ ফিশারম্যান ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিজন মাইতি বলেন, ‘বারবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে মৎস্যজীবীরা সমস্যায় পড়েছেন। গভীর সমুদ্রে ট্রলার নিয়ে দাঁড়িয়ে কেউ মাছ ধরতে পারছেন না। তাই মৎস্যজীবীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তবে এখনই হতাশ হওয়ার কোনও কারণ নেই। দুর্যোগ কেটে গেলে আশা রাখা যায়, ইলিশ মিলতে পারে।’