নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: কদমপুকুর থেকে কালুর মোড়। প্রায় তিন কিলোমিটার রাস্তা। কিন্তু রাজারহাটে এই তিন কিমি রাস্তা পার হতেই চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে মানুষকে। বর্ষার সময় রাস্তার একাধিক জায়গা খানা-খন্দে ভরে উঠেছে। বহু জায়গা ভেঙে উঠে গিয়েছে পিচ। তৈরি হয়েছে বড়ো আকারের গর্ত। বৃষ্টি হলে তাতে জল জমে প্রায় পুকুরের রূপ নেয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন কয়েকশো গাড়ি যাতায়াত করে। স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরাও চলাচল করে। সকলকেই ঝুঁকি নিয়ে চলতে হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, প্রশাসন দ্রুত সংস্কার করুক। প্রশাসনের বক্তব্য, রাস্তার বহু অংশে প্যাচওয়ার্কের কাজ হয়েছিল। তা অনেক জায়গায় উঠে গিয়েছে। সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
চলতি বর্ষায় রাজারহাটের একাধিক রাস্তার বেহাল দশা। রাজারহাট মেইন রোডের একাধিক জায়গার অবস্থা খারাপ। কোথাও গর্ত, কোথাও কংক্রিটের ব্লক বসে গিয়েছে। ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সকলকে। রাজারহাট মেইন রোডের উপর রয়েছে রেকজোয়ানি মোড়। সেখান থেকে রেকজোয়ানি হাসপাতালে যাওয়ার রাস্তার হাল বেহাল। মোড় থেকে হাসপাতালের পাশ দিয়ে রাস্তাটি গিয়েছে রাজারবহাটের নবাবপুর মোড় পর্যন্ত। পঞ্চায়েত এলাকার বহু রাস্তার হাল একইরকমভাবে বেহাল। সবমিলিয়ে শোচনীয় অবস্থা মানুষের।
বিশ্ববাংলা সরণি থেকে অল্প দূরে আলিয়া ইউনিভার্সিটি রোড। সেখান থেকে ডানদিকে ঘুরলেই কদমপুকুর। ওই রাস্তাটি গিয়েছে কালুর মোড়ের দিকে। রাস্তার নাম কদমপুকুর ঝালগাছি রোড। স্থানীয়দের দাবি, কালুর রোড থেকে বহু মানুষ নিউটাউনের দিকে কর্মসূত্রে আসেন। এই রাস্তার ধারে স্কুল, আবাসন, বাজার সবই আছে। বর্ষার আগে থেকে এই রাস্তার বহু এলাকা খারাপ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু পূর্ণ সংস্কার না হওয়ায় সেই রাস্তা আরও খারাপ হয়ে গিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বহুদিন ধরেই রাস্তার বেহাল অবস্থা। কিন্তু মেরামত করা হয়নি। এর ফলে মানুষকে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। প্রশাসনের দাবি, খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।- নিজস্ব চিত্র