নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সোমবার সারা রাজ্যের সমস্ত অংশে বর্ষা প্রবেশ করল। বর্ষা প্রবেশ করেছে বিহার, ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ডের আরো কিছু এলাকাতেও। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও, অন্ধ্রপ্রদেশের পুরো অংশে এদিন বর্ষাকাল শুরু হয়েছে। জানাচ্ছে আবহাওয়া দপ্তর। তবে বর্ষা প্রবেশ করলেও দেশে এখনো বৃষ্টি খুব কম হচ্ছে। জুন মাসে সার্বিকভাবে দেশে ৬০ শতাংশের বেশি ঘাটতি আছে। সোমবার পর্যন্ত রাজ্যে এইসময়ে অবশ্য ঘাটতি তুলনামূলকভাবে খুব কম। মাত্র ৬ শতাংশ। আবহাওয়া দপ্তর অবশ্য এদিনও জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি ও লাগোয়া এলাকা ছাড়া আর কোথাও আপাতত ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। বাকি অংশে বজ্রগর্ভ মেঘ থেকে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হবে। সেটাই হচ্ছে। সোমবার সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে শুধু দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে কিছুটা বেশি বৃষ্টি (২১ মিমি) বৃষ্টি হয়েছে। যেখানে বজ্রগর্ভ মেঘ সৃষ্টি হবে সেখানেই বৃষ্টি হবে কিছুটা। বর্ষার বৃষ্টি বলতে যা বোঝায় তা এখন দক্ষিণবঙ্গে এবং উত্তরবঙ্গের বৃহৎ অংশে হচ্ছে না। উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদয়ার জেলায় বেশি বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টির স্বল্পতার ফলে গরম বাড়ছে। উপকূল ও সন্নিহিত এলাকার বাতাসে জলীয় বাষ্প ঘটাচ্ছে ভ্যাপসা গরমের উৎপাত। এদিন কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৪ (+১.৪) ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৮.৯ (+১.৯) ডিগ্রি। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩৭-৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। দক্ষিণবঙ্গে সর্বাধিক তাপমাত্রা ছিল আসানসোলে (৩৯ ডিগ্রি)। একাধিক জেলার কিছু অংশের জন্য ‘লাল’ সতর্কতা রয়েছে।



