আপনারা তো ‘ভালোবাসা’র জুটি?
আপনারা তো ‘ভালোবাসা’র জুটি?
সাহেব: অবশ্যই। দর্শকের এত ভালোবাসা আমাদের প্রতি... সেটা তো সত্যিই।
ভালোবাসার আর অন্য কোনও অর্থ?
সুস্মিতা: ভালোবাসার তো একটাই অর্থ হয় (হাসি)।
এখন তো থিয়েটার নিয়ে ব্যস্ত আপনারা?
সুস্মিতা: হুম। আমার প্রথম থিয়েটার, ‘সিরাজ এবং’। প্রথম শো হয়ে গিয়েছে। খুব নার্ভাস ছিলাম। সকলে সাহায্য করেছেন। বিশেষ করে পরিচালক অবন্তীদি (চক্রবর্তী)। অন্য ধরনের অভিজ্ঞতা।
সাহেব: থিয়েটার আমার ভালোবাসার জায়গা। ২০১৩-১৪ নাগাদ কমলেশ্বরদার (মুখোপাধ্যায়) হাত ধরে থিয়েটার করতে শুরু করি। ‘বেহালা বাতায়ন’ আমাদের দল। দলের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও টানা দু’বছর টেলিভিশন করছিলাম বলে থিয়েটার করতে পারিনি। ওটা শেষ হতেই আবার শুরু করলাম।
সাহেব, আপনার অভিজ্ঞতা বেশি। মঞ্চের সুস্মিতাকে কত নম্বর দেবেন?
সাহেব: ১০-এ ৮ দেব। একটু কম প্র্যাকটিস করেছে বলে এক নম্বর কাটলাম। আর এক নম্বর কাটলাম, আরও ভালো করার সুযোগ সব সময় থাকে।
সুস্মিতা: (হাসি) পরের বার এক নম্বর নিয়ে নেবই। আর এক নম্বর থাকবে ইমপ্রুভমেন্টের জন্য।
আপনারা টেলিভিশনে ফিরছেন কবে?
সাহেব: অফার আসছে। কিন্তু ‘কথা’-র রেশ এখনও রয়েছে। ফলে ভেবেচিন্তে পা বাড়াচ্ছি। আসলে একটা গল্প নিয়ে টেলিভিশন শুরু হয়। তারপর তো বদলে যায়। ভালো চরিত্র, ভালো গল্পর সন্ধানে রয়েছি।
জুটিতেই ফিরবেন?
সাহেব: তা নয়। ও যদি ভালো চরিত্র পায়, অবশ্যই করবে।
টেলিভিশন মিস করছেন?
সুস্মিতা: না, মিস করার সুযোগ পাইনি। টেলিভিশন শেষ করার পরই থিয়েটারে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি। একটা ওটিটিও করছি। তবে টেলিভিশন প্রোজেক্ট শেষ হওয়ার পরও এত ভালোবাসা পাচ্ছি, এটা আশীর্বাদ। দর্শকের কাছে ভালো কাজ নিয়ে ফিরতেই হবে।
সাহেব: আমার কী মনে হয় বলুন তো, প্রযোজক কতটা প্যাশনেট, টেলিভিশনে সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। এমন তো হতেই পারে, প্রোজেক্ট বেঙ্গল টপার হলে অভিনেতারা ইনসেনটিভ পাবেন।
এমন হোক, চাইছেন?
সাহেব: আমি তো চাই (হাসি)। আমার পারিশ্রমিকের ৬০ শতাংশ টাকা দিন। কিন্তু টপার হলে ইনসেনসিভ দেবেন। তাহলে সকলেই সেটা অ্যাচিভ করার চেষ্টা করবে, তাই না? কারণ প্রোজেক্ট বেঙ্গল টপার হলে চ্যানেলের থেকে ইনসেনটিভ পান প্রযোজক। তাহলে অভিনেতারা পাবেন না কেন?
ভ্যালেন্টাইনস ডে-তে কী পরিকল্পনা?
সুস্মিতা: শ্যুটিং থাকবে।
সাহেব: আমার আবার ভ্যালেন্টাইনস ডে খুব ওভাররেটেড মনে হয়। ভীষণ কমার্শিয়াল ব্যাপার। চকোলেট কিনে দাও, টেডি কিনে দাও... আমার এসব চাপ নেই (হাসি)।
আপনাদের কাছে প্রেমের সংজ্ঞা কী?
সাহেব: বয়সের সঙ্গে প্রেমের মানে বদলে যায়। একটা সময় বছর তিনেক একজনের বাড়ির সামনে প্রতিদিন দাঁড়িয়ে থাকতাম। তাকে একবার দেখব বলে। আবার যাকে ভালোবাসি, তার পরিবার আমারও পরিবার, এটাও প্রেম। প্রেম আসলে আন্ডারস্ট্যান্ডিং। স্টেবিলিটি। প্রতিদিন দু’জনকে ৫০-৫০ দিতে হবে তা নয়। একজন একদিন কিছু নাও দিতে পারে। অন্যজন সেদিন ১০০ শতাংশ দেবে। (সুস্মিতার দিকে তাকিয়ে) তুমি বলো এবার...।
সুস্মিতা: প্রেম মানে আমার কাছে ভরসা, দায়িত্ব, বন্ধুত্ব।
স্বরলিপি ভট্টাচার্য