শীতের কোন ফলে কী উপকার? কোন সমস্যা দূরে রাখে ফল? জানালেন আয়ুর্বেদ চিকিৎসক
ডাঃ সুমিত সুর
কমলালেবু: শীতের অন্যতম জনপ্রিয় ফল কমলালেবু। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট রয়েছে। ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ত্বকের নানা সমস্যার জন্যও উপকারী। ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এই ফল। কমলালেবুতে থাকা ফাইবার হজম ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
আমলকী: আয়ুর্বেদে আমলকীর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। আমলকীতে নোনতা বাদে বাকি পাঁচটি রসের (মিষ্টি, টক, ঝাল, তেতো ও কষা) উপস্থিতি রয়েছে। ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে সমৃদ্ধ এই ফল হজমশক্তি ভালো রাখতে ও ত্বকের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। চোখের জন্যও ভালো। শীতকালে রোজ অন্তত একটা করে আমলকী খেলে শরীর আগের তুলনায় ভালো থাকবে। তবে খেতে হলে সৈন্ধব লবণ দিয়ে খাওয়া উচিত। তাহলেই প্রকৃতির ছয়টি রসের গুণ পাওয়া যায় একসঙ্গেই।
পেয়ারা: ভিটামিন সি ও ফাইবারের অন্যতম ভালো উৎস পেয়ারা। দাঁত ও মাড়ি ভালো রাখে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে। পেয়ারার পাশাপাশি এর পাতাও ভীষণ উপকারী।
আপেল: সব বয়সের মানুষের খাদ্যতালিকায় রাখা যায়। এতে থাকা ফাইবার হজমে সাহায্য করে। দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে পারে। তবে শীতকালে খুব বেশি আপেল না খাওয়া ভালো। কারণ এটি কফ বর্ধক।
বেদানা: বেদানাতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান থাকে। পেটের স্বাস্থ্যের জন্যও এটি উপকারী। বেদানার বীজে থাকা ফাইবার হজমে সাহায্য করে। ডায়রিয়া বা আমাশয়ের চিকিৎসায় বেদানা উপযোগী। আয়ুর্বেদে প্রচুর ওষুধ তৈরি হয় এই ফলের বীজ ও খোসা থেকেই।
খেজুর: খেজুরে প্রাকৃতিক শর্করা, ফাইবার ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান রয়েছে। এটি শরীরে দ্রুত শক্তি জোগাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধেও খেজুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
লিখেছেন শান্তনু দত্ত



