বোস্টন: ম্যাচের বয়স তখন ৭৭ মিনিট। কিলিয়ান এমবাপেকে তুলে নিলেন দিদিয়ের দেশঁ। সবাই রীতিমতো অবাক। এমবাপেও দুলকি চালে দর্শকদের দিকে হাত নাড়াতে নাড়াতে সাইড লাইনে। ফ্রান্সের ২-০ গোলে জয় স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। তবুও বেঞ্চে বসে থাকা ফরাসি তারকার চোখেমুখে অস্বস্তির ছাপ। তাহলে কি চোট পেয়েছেন গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার উপরে থাকা এমবাপে? আশঙ্কাটাই সত্যি। ম্যাচের সেরার পুরস্কার নেওয়ার সময় তিনি নিজেই জানালেন, চোট লেগেছে গোড়ালিতে। সেমি-ফাইনালের আগে ফরাসি শিবিরে চিন্তার ছায়া।
সব মিলিয়ে ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচের পর আলোচনার কেন্দ্রে এমবাপেই। তিনি নিজে অবশ্য চোট নিয়ে খুব একটা উদ্বিগ্ন নন। ম্যাচ শেষে জানিয়েছেন, ‘গোড়ালিতে একটু লেগেছে। তবে আমি ঠিক আছি। তাই চিন্তার কোনো কারণ নেই। শেষদিকে আমার জায়গায় মাতেতাকে নামানো হয়েছিল। কারণ, ম্যাচের প্রেক্ষিতে ওই সময় আমার চেয়ে ও বেশি কার্যকর হত।’ সাংবাদিক সম্মেলনে কোচ দেশঁ অবশ্য দলের সেরা তারকার চোট নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে এমবাপের পেনাল্টি নষ্টের প্রসঙ্গে ভার রেফারিদের একহাত নিয়েছেন তিনি। মরক্কোর বক্সে স্পষ্ট ফাউল সত্ত্বেও পেনাল্টির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে সময় লাগল তিন মিনিট ১০ সেকেন্ড। দেশঁর দাবি, এর ফলে মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটেছিল এমবাপের। ফরাসি কোচের কথায়, ‘পেনাল্টি রিভিউয়ের জন্য দীর্ঘ সময় নষ্ট হয়। এমন পরিস্থিতিতে স্পটকিক মারা সহজ নয়। তবে এখন এসব নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় নয়। সামনে সেমি-ফাইনাল। তা নিয়ে ভাবতে হবে।’
এদিকে, এমবাপের গোল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মরক্কোর কোচ মহম্মদ ওয়াহাবি। তাঁর দাবি, ‘গোলের মুভ শুরুর আগে ফ্রান্সের এক প্লেয়ারের হাতে বল লেগেছিল। হ্যান্ডবল হয়েছিল দেখে কিছু খেলোয়াড় খেলা থামিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু রেফারি বাঁশি বাজাননি। এমনকি, গোলের পর আমাদের রিভিউর দাবিতেও কর্ণপাত করেননি।’