সংবাদদাতা, বেলদা: পশ্চিম মেদিনীপুরের মোহনপুর এলাকার স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যা খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মণ। তিনি বর্তমানে অপসারিত। সোমবার রাতে কলকাতার নিউটাউনে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো এবং এক পথচারীকে ধাক্কা মারার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারপর ন্যায়বিচারের আশায় এখন বুক বাধছে নিহতের পরিবার। প্রায় চারমাস পলাতক ছিলেন প্রশান্ত। অবশেষে ধরা পড়েছেন। এই ঘটনায় স্বস্তি পেয়েছে মৃতের পরিবার। নতুন সরকারের কাছে দ্রুত শাস্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন মৃতের স্ত্রী।
মৃত স্বপনবাবুর স্ত্রী মমতা কামিল্যা মঙ্গলবার বলেন, ‘আমার স্বামীকে অত্যন্ত নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মূল অভিযুক্ত আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে পলাতক ছিলেন। আমরা চরম মানসিক যন্ত্রণা এবং আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটিয়েছি। নতুন সরকারের কাছে আমাদের একটাই দাবি, এই জঘন্য খুনের ঘটনায় ধৃত বিডিওর ফাঁসির শাস্তি নিশ্চিত করা হোক। যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ এমন অপরাধ করার সাহস না পায়।’
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৫ সালের ২৮ অক্টোবর সল্টলেকের দত্তাবাদ এলাকার ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যা অপহৃত হন। পরদিন নিউটাউনের বাগজোলা খালপাড় থেকে তাঁর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। সুপ্রিম কোর্ট অভিযুক্ত প্রশান্ত বর্মণকে ২০২৬ সালের ২৩ জানুয়ারির মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়। কিন্তু অভিযুক্ত গা ঢাকা দেন। অবশেষে সোমবার রাতে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালানো এবং পথচারীকে ধাক্কা মারার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। খুনের মূল অভিযুক্ত ধরা পড়ায় এখন দোষীর ফাঁসির দাবি তুলছে কামিল্যা পরিবার।