মিলেনিয়াম পার্কের মতো সাজবে ভাগীরথীর পাড়
  • ৫ নভেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: কলকাতার মিলেনিয়াম পার্কের আদলে নবদ্বীপের ভাগীরথীর নদীপাড়কে সাজানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নবদ্বীপের উন্নয়নের প্রথম ধাপ হিসেবে ভাগীরথীর নদীপাড়ের সৌন্দর্যায়ন এবং শহরের বিভিন্ন ঘাটের পরিকাঠামোগত উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হল। সেই লক্ষ্যে মঙ্গলবার নগরায়ন ভবনে একটি ত্রিপাক্ষিক সমঝোতাপত্র (মউ) স্বাক্ষরিত হয়। নবদ্বীপ পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসার সঞ্জীব কুমার রাহা, এনবিসিসির চিফ জেনারেল ম্যানেজার অতীন্দ্র বিশ্বাস এবং নগরোন্নয়ন ও পুর বিষয়ক দপ্তরের যুগ্মসচিব সুপ্রিয় অধিকারী এই চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন। স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ছিলেন রজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, অতিরিক্ত মুখ্যসচিব খলিল আহমেদ, সুডার ডিরেক্টর নবীন কুমার, নগরোন্নয়ন দফতরের যুগ্মসচিব দেবপ্রিয় বিশ্বাস এবং কলকাতা ও বিধাননগর পুরনিগমের কমিশনার-সহ বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকরা।

Advertisement

নবদ্বীপ পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসার সঞ্জীব কুমার রাহা বলেন, এদিন অন্যান্য আধিকারিকদের সঙ্গে আমিও ত্রিপাক্ষিক সমঝোতাপত্রে স্বাক্ষর করেছি। নগরোন্নয়ন দপ্তরের যুগ্মসচিব দেবপ্রিয় বিশ্বাস সহ বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এদিন মূলত মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। মন্ত্রী জানান, এনবিসিসি-র পক্ষ থেকে প্রকল্পের আনুমানিক ব্যয় এবং কাজের নকশা তৈরি হবে। সেই নকশা অনুমোদনের পর প্রকল্প তৈরি ও নকশার চূড়ান্ত অনুমোদন পেতে আরও দু’-তিন মাস সময় লাগতে পারে। 
নবদ্বীপবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল, নদীপাড়ের সৌন্দর্যায়ন। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর কলকাতার মিলেনিয়াম পার্কের ধাঁচে এই প্রকল্পের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট একটি ঘাটকে মিলেনিয়াম পার্কের আদলে গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি নদী পাড় বরাবর মেরিন ড্রাইভের ধাঁচে সড়ক করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
বিধায়ক শ্রুতিশেখর গোস্বামী বলেন, আমরা ক্ষমতায় আসার পর থেকেই এই কাজ বাস্তবায়িত করার উদ্যোগ নিয়েছিলাম। নবদ্বীপের স্নানের ঘাটগুলিকে সুসজ্জিত করার পাশাপাশি কলকাতার মিলেনিয়াম পার্কের ধাঁচে নদীর পাড়ে পার্ক ও রাস্তা গড়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে আমরা আবেদন জানিয়েছি। অতিরিক্ত মুখ্যসচিব খলিল আহমেদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের সঙ্গেও কথা বলেছি। বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সচিবদের সঙ্গেও দেখা করেছি। অবশেষে এই প্রকল্পের জন্য ত্রিপাক্ষিক মৌ স্বাক্ষরিত হল।