Bartaman Logo
১৪ আগস্ট, ২০২৬

সরকার-বিরোধী টানাপোড়েনের আবহেই শেষ বাদল অধিবেশন

বাদল অধিবেশনের ঠিক আগেই সামনে এসেছিল রাম মন্দিরে প্রণামী চুরির বিষয়টি। আবার অধিবেশনের সময় জেনজি বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজধানী

সরকার-বিরোধী টানাপোড়েনের আবহেই শেষ বাদল অধিবেশন
  • ১৪ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি:  বাদল অধিবেশনের ঠিক আগেই সামনে এসেছিল রাম মন্দিরে প্রণামী চুরির বিষয়টি। আবার অধিবেশনের সময় জেনজি বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজধানী। এই জোড়া ইস্যুকে সামনে রেখেই বাদল অধিবেশনের রণকৌশল সাজিয়েছিল বিরোধীরা। শুরু থেকেই শাসক ও বিরোধী শিবিরের টানাপোড়েনে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছিল। এই আবহেই বৃহস্পতিবার শেষ হল এবারের বাদল অধিবেশন।

Advertisement

সংসদের স্বাভাবিক কার্যক্রমের নিরিখে এই অধিবেশন ছিল গত কয়েক বছরে সবচেয়ে কম কার্যকর। সরকারপক্ষ এই পরিস্থিতির দায় চাপিয়েছে বিরোধীদের বিশেষ করে কংগ্রেসের উপর। পালটা বিরোধীদের দাবি, শাসকদলের অসহযোগিতার কারণে বাদল অধিবেশন ভেস্তে গিয়েছে। একদিনও প্রধানমন্ত্রী বা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অধিবেশনে হাজির হননি। পরিসংখ্যান বলছে, সদ্য সমাপ্ত  অধিবেশনে লোকসভার স্বাভাবিক কার্যক্রম হয়েছে মাত্র ১৯ শতাংশ। রাজ্য সভার ক্ষেত্রে এই পরিসংখ্যান ৩৯ শতাংশ। রাজ্যসভা ও লোকসভায় ১২টি করে বিল পেশ হয়েছিল। তার মধ্যে একমাত্র পাবলিক এক্সামিনেশন (প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিনস) অ্যামেন্ডমেন্ট বিল বা প্রশ্নফাঁস বিরোধী বিল নিয়ে দুই কক্ষে আলোচনা হয়েছে। স্পিকার ওম বিড়লা এই পরিস্থিতি নিয়ে কিছু না বললেও রাজ্যসভার চেয়ারপার্সন সিপি রাধাকৃষ্ণণ নিজের অধিবেশন সমাপ্তি বক্তৃতায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। গোটা অধিবেশন জুড়ে প্রশ্নফাঁস, ককরোচদের বিক্ষোভ ও রামমন্দিরের দান চুরি নিয়ে সরব হয়েছিল বিরোধী দলগুলি। প্রায় প্রতিদিনই ধরনা দিয়েছে তাঁরা। পালটা একই জায়গায় বিক্ষোভ দেখিয়েছে শাসক শিবিরও। অধিবেশনের মাঝপথেই ছাত্র বিক্ষোভের জেরে পদত্যাগ করেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এমনকি অধিবেশন মুলতুবির পরও উত্তেজনা বজায় রয়েছে। ওম বিড়লার ডাকা চা চক্র বয়কট করে কংগ্রেস, তৃণমূল ও সমাজবাদী পার্টি। তবে রাজ্যসভার চা চক্রে খাড়্গে, সোনিয়া গান্ধীর মতো নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ