নয়াদিল্লি: তাঁর কণ্ঠস্বর, বাগ্মিতা মুগ্ধ করার মতো। এহেন শশী থারুরের কণ্ঠস্বর, আচরণ, হাত নাড়াকে কাজে লাগিয়ে ‘ডিপফেকের’ মাধ্যমে তৈরি একাধিক ভুয়ো ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে। একটি ভিডিয়োতে আবার তাঁকে পাকিস্তানের প্রশংসা করতেও দেখা গিয়েছে। এই নিয়ে বিভ্রান্তি চরমে। এই অবস্থায় নিজের ব্যক্তিগত আচরণের সংরক্ষণ (পার্সোনালিটি রাইটস) চেয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিরুবনন্তপুরমের কংগ্রেস সাংসদ। শনিবার তাঁর সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে আদালত। রায় দিতে গিয়ে বিচারপতি মিনি পুষ্কর্ণ বলেন, থারুর একজন সম্মানীয় এবং পরিচিত ব্যক্তিত্ব। তাই তাঁর ব্যক্তিত্বের সব দিক সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। তাঁর নাম, ছবি, কণ্ঠস্বর, স্বাক্ষর বা তাঁর পরিচয় জ্ঞাপন করে এমন কিছু ডিজিটালি প্রস্তুত করা যাবে না। থারুরের সম্পর্কিত বিতর্কিত ভিডিয়োর ইউআরএল এক্স এবং মেটাকে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।



