


নয়াদিল্লি: উত্তর ভারতের তিন রাজ্যে হানা দিয়ে বড়সড় জঙ্গি মডিউলের পর্দাফাঁস করল দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। দিল্লি, হরিয়ানা ও পাঞ্জাব থেকে মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংবেদনশীল সামরিক এলাকায় ৯টি সিসি ক্যামেরা বসিয়েছিল এই নেটওয়ার্ক। সীমান্তপার থেকে বেআইনি অস্ত্র ও মাদক পাচারের সঙ্গেও জড়িত ছিল অভিযুক্তরা।
দিল্লি পুলিশের এসিপি (স্পেশাল সেল) প্রমোদ সিং কুশওয়া জানিয়েছেন, পাঞ্জাবের কাপুরথালা, জলন্ধর, পাঠানকোট, পাতিয়ালা, মোগা, হরিয়ানার অম্বালা, জম্মু-কাশ্মীরের কাঠুয়া এবং রাজস্থানের বিকানির ও আলওয়ারে নজরদারির জন্য সৌরচালিত সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছিল। প্রতিটি এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। ফলে ভারতীয় সেনার গতিবিধি সরাসরি দেখতে পারত পাকিস্তানি হ্যান্ডলাররা।
পুলিশ সূত্রে খবর, তরন তারনের বাসিন্দা ধৃত মনপ্রীত সিংয়ের সঙ্গে পাক হ্যান্ডলারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ছিল। গোটা নেটওয়ার্কের মূল মাস্টারমাইন্ড ছিল সে। আনমোল ও সাহিল নামের অন্য দুই অভিযুক্তের কাজ ছিল সংবেদনশীল এলাকায় সিসি ক্যামেরা বসানো। ধৃতদের কয়েকজন সেনাছাউনির অন্দরে গিয়েও রেইকি করেছে বলেও জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। ধৃতরা নিষিদ্ধ সংগঠন বব্বর খালসা ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গিয়েছে।
অন্যদিকে শুক্রবার রাতে উত্তরাখণ্ডে ৫টি আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুল সংখ্যক কার্তুজ উদ্ধার করল পুলিশ। হরেন্দর সিং ওরফে হানি এবং নিখিল ভার্মা ওরফে রানু নামের দুই অস্ত্র-কারবারিকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেরায় ধৃতরা জানিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরের জঙ্গি সংগঠনের সদস্যদের কাছে অস্ত্রগুলি সরবরাহ করা হচ্ছিল। ধৃতদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে বেশ কয়েকটি সন্দেহজনক লেনদেনের হদিশ মিলেছে। হানি ও রানুকে জেরা করে ইন্দ্রজিং সাহু এবং পবন সান্ধু নামের দুই মাস্টারমাইন্ডের খোঁজ মিলেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।