Bartaman Logo
১৮ জুলাই, ২০২৬

গুজরাতে জঙ্গি মডিউলের পর্দাফাঁস, ধৃত আরও পাঁচ, মাদ্রাসায় প্রশিক্ষণ, প্রত্যন্ত গ্রামে আইইডি পরীক্ষা

গুজরাতে জঙ্গি মডিউলের ঘটনায় আরও ৫ জন ধৃত, মোট সংখ্যা ১৩। মাদ্রাসায় আইইডি তৈরির প্রশিক্ষণ নিচ্ছিল। বিস্তারিত পড়ুন।

গুজরাতে জঙ্গি মডিউলের পর্দাফাঁস, ধৃত আরও পাঁচ, মাদ্রাসায় প্রশিক্ষণ, প্রত্যন্ত গ্রামে আইইডি পরীক্ষা
  • ১৮ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

গান্ধীনগর: স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজ্য গুজরাত থেকে গ্রেপ্তার করা হল আরও পাঁচজন সন্দেহভাজন জঙ্গিকে। ধৃতদের প্রত্যেকের বয়স ২০-২৪ বছরের মধ্যে। তারা পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন জয়েশ-ই-মহম্মদের সঙ্গে জড়িত। পড়শি দেশ থেকে টাকাও পাঠানো হত তাদের কাছে। গত ৩ জুলাই এই জঙ্গি মডিউলের আট সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছিল গুজরাত অ্যান্টি টেররিজম স্কোয়াড (এটিএস)। তাদের জেরা করেই বাকি পাঁচজনের খোঁজ মেলে। সব মিলিয়ে এই মামলায় ধৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৩। ধৃতদের আটদিনের পুলিশি হেপাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

Advertisement

গুজরাত এটিএসের ডিআইজি সুনীল জোশী জানিয়েছেন, ধৃতদের মধ্যে কয়েকজন পাটনের জামিয়া আবুল হাসান মাদ্রাসায় থাকত। সেখানেই তারা বোমা ও আইইডি তৈরির প্রশিক্ষণ নেয়। ধৃতদের কাছ থেকে ‘আকেলা মুজাহিদ ক্যায়সে জিহাদ করে’-এর মতো একাধিক মৌলবাদী পুস্তিকা, ২৫০টির বেশি ডিজিটাল ফাইল ও মাসুদ আজহারকে হাতে লেখা চিঠি উদ্ধার করা হয়েছে। এটিএস আরও জানিয়েছে, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও স্থানীয় বাজার থেকে বিস্ফোরক তৈরির জন্য পটাশিয়াম নাইট্রেট, গন্ধক ও কাঠ-কয়লার মতো কাঁচামাল সংগ্রহ করেছিল অভিযুক্তরা। একটি শক্তিশালী টাইম বম্ব তৈরিরও চেষ্টা চালাচ্ছিল। ২০২৩ সাল থেকে একটি প্রত্যন্ত গ্রামে অন্তত আটবার নিজেদের তৈরি বিস্ফোরক পরীক্ষা করে এই ১৫ জন। তবে পছন্দমতো আইইডি তৈরির আগেই সকলে পুলিশের জালে ধরা পড়ে যায়। 
জানা গিয়েছে, ধৃতরা নিয়মিত পাকিস্তানি হ্যান্ডলার আবদুল্লা ওরফে মহম্মদ উমরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত। সোশ্যাল মিডিয়া ও এনক্রিপ্টেড ম্যাসেজিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কথা বলত তাঁরা। ধৃতদের একটি পুরানো গাড়ি কেনার নির্দেশও দিয়েছিল পাকিস্তানি হ্যান্ডলার। ওই গাড়ি ব্যবহার করে কোনো নাশকতার ছক ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া মোবাইল ও ল্যাপটপগুলিকে পাঠানো হয়েছে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ