Bartaman Logo
২০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

প্রয়োজনে শনিবারও কাজ, বিশ্বভারতীর নির্দেশে অখুশি অস্থায়ী কর্মীরা

বিশ্বভারতীর নতুন নির্দেশে ২৬ দিন কাজের বাধ্যবাধকতা নিয়ে অস্থায়ী কর্মীদের অসন্তোষ। প্রশাসনের ব্যাখ্যা প্রয়োজন। বিস্তারিত পড়ুন।

প্রয়োজনে শনিবারও কাজ, বিশ্বভারতীর নির্দেশে অখুশি অস্থায়ী কর্মীরা
  • ২০ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বোলপুর: বিশ্বভারতীর নতুন কর্মব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বৃহস্পতিবার রাতে উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারের কাছে ই মেল মারফত স্মারকলিপি পাঠিয়েছেন সরাসরি নিযুক্ত ক্যাজুয়াল কর্মীদের একাংশ। ২৬ দিনের কাজ সংক্রান্ত নির্দেশের আইনি ও প্রশাসনিক ভিত্তি জানতে চেয়েছেন তাঁরা।

Advertisement

সম্প্রতি বিশ্বভারতীর জারি করা এক নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, মাসে ২৬ দিনের বেতনের বিনিময়ে সরাসরি নিযুক্ত ক্যাজুয়াল কর্মীদের ২৬ দিন কাজ করতে হবে। প্রয়োজনে শনিবারও দায়িত্ব পালন করতে হবে। এই নির্দেশের আইনি ও প্রশাসনিক ভিত্তি নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন কর্মীরা। তাঁদের দাবি, অফিস অর্ডারে যে শ্রম আইনের উল্লেখ করা হয়েছে, সেখানে কর্মঘণ্টা ও সাপ্তাহিক বিশ্রামের উল্লেখ থাকলেও সপ্তাহে ছ’ দিন কাজের কোনো বাধ্যবাধকতার কথা বলা নেই। ফলে নির্দেশিকায় ওই আইনের ব্যাখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে বলে তাঁদের অভিযোগ।
কর্মীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিনের প্রচলিত কর্মব্যবস্থা বদলের আগে প্রশাসনের তরফে কোনো আলোচনা বা বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে ২৬ দিনের বেতনের ভিত্তিতে ২৬ দিন কাজ বাধ্যতামূলক করার যৌক্তিকতাও প্রশ্নের মুখে।
স্মারকলিপিতে তাঁরা জানতে চেয়েছেন, কোন আইন ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে এই নির্দেশ জারি হয়েছে। পাশাপাশি, কর্মীদের এক বিভাগ থেকে অন্য বিভাগে দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষমতার আইনি ভিত্তিও স্পষ্ট করার দাবি জানানো হয়েছে।
কর্মীদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য অস্থায়ী, চুক্তিভিত্তিক ও আউটসোর্সড কর্মীদের ক্ষেত্রে একই নিয়ম কার্যকর না হলে শুধুমাত্র সরাসরি নিযুক্ত ক্যাজুয়াল কর্মীদের উপর তা প্রয়োগ করা বৈষম্যমূলক বলেই মনে হবে। তাই নির্দেশিকাটি পুনর্বিবেচনা করে দ্রুত লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে। এই নিয়ে বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক অতিগ ঘোষ বলেন, ক্যাজুয়াল কর্মীদের পক্ষ থেকে যে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সেই বিষয়ে যথাযথ উত্তর দেবে। প্রচলিত আইন ও বিধি মেনেই সংশ্লিষ্ট নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ