সংবাদদাতা, তেহট্ট : যানজট নিয়ন্ত্রণ ও দুর্ঘটনা এড়াতে তেহট্ট থানার একাধিক ব্যস্ততম এলাকায় বসানো হয় ট্রাফিক সিগন্যাল। তিন মাস কেটে গেলেও সেই সিগন্যাল নিয়ে সচেতন হতে দেখা যাচ্ছে না পথ চলতি মানুষদের। লাল আলো উপেক্ষা করেই যাতায়াত চলছে। এতে দুর্ঘটনা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে।
জেলার ব্যস্ততম রাজ্য সড়ক কৃষ্ণনগর করিমপুর। বাস, ট্রাক , ছোট গাড়ি , বাইক সহ সব ধরনের গাড়ির যাতায়াত এই সড়কে । কয়েক বছরে অনেক দুর্ঘটনা ঘটেছে এই রাজ্য সড়কের উপর। হয়েছে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে। তেহট্ট মহকুমার তেহট্ট হাউলিয়া পার্ক মোড়, বেতাই পলাশি মোড়, নাজিরপুর বাজার এলাকায় যানজটের সমস্যা বহু দিনের। এই কারণে চলতি বছরের ৩১ মে তেহট্ট হাউলিয়া পার্ক মোড়, বেতাই পলাশী মোড় এবং নাজিরপুর বাজার ট্রাফিক সিগন্যালের উদ্বোধন করা হয়। প্রত্যেকটি সিগন্যালের জায়গায় ট্রাফিক সিগন্যাল নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র করা হয়েছে।অভিযোগ, এতদিনেও সেই সিগন্যাল মানতে নারাজ অনেকেই। লাল আলো জ্বললে সচেতন চালকেরা সিগন্যালে দাঁড়ালেও, সেই সিগন্যাল না মানার সংখ্যাটা বেশি। হাউলিয়া মোড়ে ঢুকতে যে সিগন্যাল সেখানে গিয়ে দেখা গেল অধিকাংশ মানুষ বাইক কিংবা অনান্য গাড়ি নিয়ে যাওয়ার সময় সিগন্যাল ভেঙে এগিয়ে চলছেন। আবার একই দৃশ্য দেখা গেল গুরুত্বপূর্ণ এলাকা তেহট্ট থানার বেতাই পলাশী মোড়ে। সেখানেও লাল আলো জ্বললেও থোরাই কেয়ার চালকদের। অভিযাগ, এইভাবে সিগন্যাল না মানার জন্য রাজ্য সড়কের বিভিন্ন জায়গায় যানজট তৈরি হচ্ছে। আরও অভিযোগ, বেশ কিছু বাইক চালক সিগন্যাল উপেক্ষা করার জন্য দ্রুত গতিতে বাইক চালিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। এই রকম পরিস্থিতিতে সিগন্যাল মানা নিয়ে কড়া ব্যবস্থা এবং সেইসঙ্গে জরিমানা করার দাবি তুলেছেন এলাকাবাসী।
এবিষয়ে তেহট্ট মহকুমা ট্রাফিক গার্ডের আধিকারিক ইন্সপেক্টর শিবাজি গুহ বলেন, সবাই যাতে সিগন্যাল মেনে রাস্তা চলাচল করে সেই বিষয়ে সজাগ দৃষ্টি রেখেছি। কেউ যদি সিগন্যাল মেনে না চলে তবে তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী জরিমানা করছি। তাছাড়াও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।